নজিরবিহীন! যুবতীকে তাঁর মহিলা পার্টনারের সঙ্গে লিভ-ইনের অনুমতি দিল হাইকোর্ট


Odd বাংলা ডেস্ক: সমপ্রেমী যুগলের লিভ-ইন সম্পর্ককে মান্যতা দিল ওড়িশা হাইকোর্ট। এক তরুণীকে তাঁর ইচ্ছের বিরুদ্ধে একটি ছেলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে দেওয়ার চেষ্টার পর আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁর সমপ্রেমী সঙ্গী। এরপর ২৪ বছর বয়সী ওই তরুণীকে তাঁর সমকামী পার্টনারের সঙ্গে লিভ-ইনের অনুমতী দেয় ওড়িশা হাইকোর্ট, যা এককথায় নজিরবিহীন। 

এক সমপ্রেমীর হেবিয়াস কর্পাস পিটিশনের শুনানিতে সোমবার ওড়িশা হাইকোর্টের বিচারপতি একে মিশ্র এবং সাবিত্রী রাঠোর-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, পিটিশনারের সঙ্গীকে যেন সবরকমভাবে সুরক্ষা প্রদান করা হয়, যাতে তাঁরা একসঙ্গে বসবাস করতে পারেন। 



পিটিশনার চিন্ময়ী জেনা ওরফে সোনু কৃষ্ণ জেনা তাঁর সঙ্গীনীকে পেতে সংবিধানের ২২৬ এবং ২২৭ ধারায় একটি হেবিয়াস কর্পাসের আবেদন করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, যে তাঁর সঙ্গিনীর মা এবং মাম তাঁদেরকে আলাকা করে দিয়েছেন। আবেদনকারী আদালতকে আরও বলেম যে তাঁর সঙ্গীর মা এবং মামা এখন তাঁকে অন্য ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

পিটিশনার যুক্তি দেন, তিনি ও তাঁর সঙ্গিনী দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক এবং সমলিঙ্গের হওয়ায় তাঁরা এখনই বিয়ে করতে চান না, কিন্তু তাঁদের একসঙ্গে থাকার বা‌ লিভ-ইন-এর অধিকার রয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, ২০০৫ সালের গার্হস্থ হিংসার আইনেও লিভ-ইন রিলেশনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যে কোনও লিঙ্গভেদেই মহিলা সঙ্গিনীকে এই অধিকার ও সুবিধা দেওয়া রয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পিটিশনার কী চান তা শোনেন বিচারপতিরা। আর এরপরই তাঁরা নজিরবিহীন রায় দান করেছেন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.