রুদ্রাক্ষ সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা, যা সাধারণ আজও মানুষের মধ্যে প্রচলিত...
Odd বাংলা ডেস্ক: সনাতন ভারতীয় সংস্কৃতিতে রুদ্রাক্ষকে 'শিবের অশ্রু' বলে বিবেচনা করে। মনে করা হয়, রুদ্রাক্ষের ক্ষমতা অপরিসীম। কিন্তু রুদ্রাক্ষের ক্ষমতা সম্পর্কে এমন কিছু ধারণা প্রচলিত রয়েছে, যা সর্বৈব মিথ্যা। সেই ভুলগুলি সংশোধন করে নিলে রুদ্রাক্ষ ধারণ অনেক সহজ, এমন কথাও জানান রুদ্রাক্ষ বিশেষজ্ঞরা। জেনে নিন আপনারাও-
রুদ্রাক্ষ কেবল মাত্র সন্ন্যাসীরাই ধারণ করতে পারেন?- এমন ধারণা কখনওই ঠিক নয়। সংসারী ব্যক্তির রুদ্রাক্ষ ধারণে কোনও বাধা নেই।
রুদ্রাক্ষ উচ্চ রক্তচাপ কমায়?- রুদ্রাক্ষের সঙ্গে শরীরের প্রত্যক্ষ কোনও সম্বন্ধ স্থাপন হয় না। রুদ্রাক্ষ তার ধারণকারীকে উচ্চতর মানসিক স্থিতি দান করে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ বা ওই জাতীয় কোন ক্ষমতা রুদ্রাক্ষের নেই।
রুদ্রাক্ষ ধারণ করে আমিষ ভক্ষণ উচিত নয়?- এও একেবারে ভুল ধারণা। খাদ্যাভ্যাস শরীরী বিষয়। আর রুদ্রাক্ষ ধারণ করা হয় আধ্যাত্মিক কারণে।
ঘুমনোর সময়ে রুদ্রাক্ষ খুলে রাখা উচিত?- এটিও ভুল ধারণা। রুদ্রাক্ষ তার ধারণকারীকে অশুভ শক্তি থেকে রক্ষা করে। রাত্রে ঘুমনোর সময়ে কী সেই রক্ষাবলয়কে দূর করে দেওয়া যায়!
স্নানের সময়ে রুদ্রাক্ষ খুলে রাখা উচিত?- এ ধারণাও ভুল। জলের স্পর্শ রুদ্রাক্ষকে সতেজ রাখে। সেই সঙ্গে যদি দেহও সংস্পর্শে থাকে, তা হলে তা অতি উপকারী।
বার্ধক্য রুদ্রাক্ষ ধারণের আদর্শ সময়?- একেবারেই নয়, তরুণ বয়সেও রুদ্রাক্ষ ধারণ ভাল ফল দেয়। রুদ্রাক্ষ মনকে সংযত করে। ফলে তারুণ্যের উদ্দীপনার সঙ্গে ভাবসৌন্দর্য যুক্ত হয়।





Post a Comment