বছরে কয়েক হাজার ছাগল ভাড়া করে গুগল


Odd বাংলা ডেস্ক: আধুনিক জীবনের ইন্টারনেট ছাড়া আমাদের চলেই না। যেকোনো কাজেই এখন গুগলই ভরসা। তবে এই গুগলের রয়েছে অনেক মজার মজার তথ্য। গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম নাম দিয়েছিলেন ব্যাকরাব। যে পদ্ধতিতে একটি ওয়েবসাইট আরেকটি ওয়েবসাইটকে খুঁজে বের করে। তবে পরে এর নাম হয় গুগুল। জানেন কি? ক্যালিফোর্নিয়ার গ্যাজলি নামের এক প্রতিষ্ঠান থেকে গুগুল ছাগল ভাড়া করে। অবাক হচ্ছেন?হ্যাঁ, ঠিকই বলেছি ছাগল ভাড়া করে। আপনি যদি কখনো সেখানে যান, দেখতে পাবেন প্রায় ২০০ ছাগল সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে খাস খেতে সেখানে যায় ছাগলগুলো। গুগল সবসময়েই বলে, তারা সবুজ উদ্যোগ সমর্থন করে। এরই একটি হলো ছাগলের মাধ্যমে গুগল অফিসের সামনের ঘাস কাটা। ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগল সদর দফতরের লনের ঘাসগুলো নিয়মিতভাবে কেটেছেটে ঠিকঠাক রাখতে হয়। সুতরাং আর ঘাস খেয়ে লনের ঘাস ঠিকঠাক রাখছে। গুগলের আরো কিছু মজার মজার তথ্য আছে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেসব- 

খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার

ফোবর্সের তথ্য অনুযায়ী, গুগলের জনক সের্গেই ব্রিন প্রথম দিকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, গুগলের অফিস কখনোই খাবার প্রাপ্তির স্থান থেকে ৬০ মিটারের বেশি দূরত্বে হবে না। গুজব আছে যে, তখন কোম্পানির সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার ছিল 'সুইডিশ ফিশ', একটি চিবানোর মতো মিষ্টি। কিন্তু এখন গুগলের লোকজনের জন্য নানা ধরনের মাংস আর ভালো মানের কফির ব্যবস্থা রয়েছে। 

নাম

গুগল নামের মানে কি, আপনি জানতে চাইতে পারেন। আসলে এর কোন মানেই নেই। গুগল নামটি এসেছে গাণিতিক হিসাবের গোগল (googol) ভুল করে লেখার মাধ্যমে-যার হলো ১ এর পর একশ শূন্য। এ নিয়ে এখন অনেক গল্প প্রচলিত আছে যে, একজন প্রকৌশলী বা ছাত্র আসল নামের বদলে এই ভুল বানানটি লিখেছিলেন। সেই ভুল নামই পুরো দুনিয়ার সামনে চলে আসে। লিংকের ওপর নির্ভর করে ওয়েবপেইজে র‍্যাংকিং নির্ধারণ করে, তাকেই বলা হয় ব্যাকরাব। 

সব কিছুই হিসাব নিকাশ নয় গুগলের সব কিছুই ব্যবসা নয়। সেখানে অনেক মজার বিষয়ও আছে। যেমন ‌'askew' এই শব্দটি গুগলে লিখে দেখতে পারেন। 

গুগলের আদর্শ গুগলের মৌলিক আদর্শগুলোর একটি কখনো দুষ্টতে পরিণত হয়ো না। কিন্তু এই কোম্পানি এখনো সেই আদর্শে আছে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত আপনার। ডুডল অফিসের বাইরে বার্তা যোগাযোগের মাধ্যমে প্রথম গুগল ডুডল চালু হয় ১৯৯৮ সালের ৩০ আগস্ট। যখন ল্যারি আর সের্গেই একটি উৎসবে নেভাদা গিয়েছিলেন, তখনি প্রথম এই আইডিয়াটি আসে। এরপর থেকেই ডুডল গুগলের একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়। বিশেষ বিশেষ দিন বা ব্যক্তিত্বের উপলক্ষে বিশেষভাবে করা শিল্প গুগলের চেহারায় ভেসে ওঠে। গুগলের সবচেয়ে ভালো বন্ধু গুগলে যারা কাজ করেন, এমনকি যারা নতুন কাজ করতে এসেছেন, তারা সবাই নিজের কুকুর সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারে। তবে এটা প্রমাণ করতে হবে যে, তারা অফিস নোংরা করবে না।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.