কেন এপিজে আবদুল কালামের জন্মদিনেই পালিত হয় বিশ্ব ছাত্র দিবস?
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৭ জুলাই তারিখে আইআইএম শিলং-এর শিক্ষার্থীদের সামনে বক্তব্য রাখার সময়েই ডঃ কালাম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মরা যান। শিক্ষার্থীদের প্রতি ছিল তাঁর অপার ভালবাসার। আর সেই কারণেই ভারতের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজেদের মতো করে তাঁর জন্মদিন উদযাপন করে। সম্প্রতি, তেলেঙ্গানার এক বিজেপি নেতা সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে ১৫ই অক্টোবর, এপিজে আবদুল কালামের জন্মদিনটি জাতীয় ছাত্র দিবস হিসাবে পালন করা উচিত।
প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে শিক্ষকদের জাতীয় পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কালাম বলেছিলেন, শিক্ষকদের বুঝতে হবে যে তাঁরা সমাজের নির্মাতা। শিক্ষার্থীরা যখন তাদের বিষয়গুলিতে দক্ষ হয়ে উঠবে তখনই একটা সমাজটি গঠন করা সম্ভব। এছাড়াও তাঁদের ছাত্রদের জীবনের জন্য একটি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করে দিতে হবে এবং তাদের মূল্যবোধগুলির অনুশীলন করা উচিত সেগুলিও তাদের ভবিষ্যতের পথ প্রদর্শন করবে।
আরও পড়ুন- পড়াশোনার খরচ চালাতে বিক্রি করেছেন খবরের কাগজও, জন্মদিনে অজানা 'মিসাইল ম্যান'
শুধু তাই নয়, তিনি ছিলেন ভারতের একাদশতম রাষ্ট্রপতি যিনি ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দেশের রাষ্ট্রপতি হিসাবে নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতের অসামরিক মহাকাশ কর্মসূচি এবং সামরিক ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের জন্য কৃতিত্বের অধিকারী হয়েছিলেন।





Post a Comment