যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল ইকোলজিস্ট আসলে গোল্ডেন ওয়ার্বলার পাখির মাইগ্রেশন প্যাটার্ন নিয়ে গবেষণা করছিলেন। তখনই এই পাখিগুলোর এই গুণের কথা সামনে আসে।
মূলত মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকাতেই এদের দেখা যায়। তবে ভারতেও ওয়ার্বলার রয়েছে। সেগুলো অবশ্য গ্রিন ওয়ার্বলার।
এই পাখিগুলো সারা শীত মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকায় কাটায়। ডিম পাড়া এবং সন্তান প্রতিপালনের জন্য উত্তর-পূর্ব আমেরিকার আপ্পালাচিয়ানসের গ্রেট লেকে চলে যায়। ফের ফিরে আসে।
মাইগ্রেশন প্যাটার্ন পর্যালোচনার জন্য বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ আমেরিকার টেনেসির এক ঝাঁক ওয়ার্বলারের উপর পরীক্ষা চালাচ্ছিলেন। তাদের অবস্থান জিয়োলোকেটর দিয়ে নজর রাখা হচ্ছিল।
এই অদ্ভুত আচরণের কারণটা কিছুদিন পরেই আঁচ করতে পারেন বিজ্ঞানীরা। ওয়ার্বলাররা টেনেসি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরই টর্নেডো আসে সেখানে। মারা যান ৩৫ জন মানুষ।
টর্নেডোর প্রভাব কেটে যাওয়ার কয়েক দিন পরই আবার তারা ফিরে আসে। বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, টর্নেডোর জন্যই আগাম চলে গিয়েছিল পাখিগুলো।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসের অনেক আগে কী ভাবে ঝড়ের কথা জেনে ফেলে পাখিগুলো? ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফির তথ্য বলছে, ঝড় থেকে এক প্রকার ইনফ্রাসাউন্ড বার হয়।
সেই ইনফ্রাসাউন্ডের কম্পাঙ্ক এতটাই কম যে মানুষ সেটা শুনতে পায় না। কিন্তু ওয়ার্বলার সেটা শুনতে পায়।





Post a Comment