ইন্দ্রদেবের অভিশাপের ফলে মহিলাদের প্রত্যেক মাসে এই ব্যথা ভোগ করতে হয়
Odd বাংলা ডেস্ক: আজ আমরা আপনাকে এমন একটা বিষয়ের কথা বলবো যেটা আপনাদের সকলকেই ভোগ করতে হয়। কিন্তুু এটা আসল কারন হয়তো অনেকেই জানেন না।
মহিলাদের প্রত্যেক মাসে মাসিকের জন্য যে ব্যাথা অনুভব করতে হয় তার পিছনে রয়েছে এক পৌরানিক কাহিনী। আর এই কাহিনী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পরুন।
প্রায়ই আমরা শুনেই এখনকার সমাজ নারী ও পুরুষদের পার্থক্য করে না। এই আধুনিক যুগে নারীরা পুরুষদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলে। কিন্তুু আপনি কি মনে করেন কথাটা সত্যি? পুরুষদের আমরা যে চোখে দেখি সেই সমান চোখে আমরা নারীদের দেখি? সম্ভবত না। নারীদের মাসিক এটার একটা বড় উদাহরণ। মাসিকের সময় নারীদের সমাজ থেকে এমন ভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয় যেন সে অছূত
এখন তবে আগেকার মতো নারীদের সাথে ওরকম ব্যবহার করা হয় যে না। কিন্তুু এখনও অনেক মানুষ আছে যারা পিরিওড এর নামে এক পৌরানিক নিয়মে নারীদের আবদ্ধ করে রাখার চেষ্টা করেন। প্রকৃত পক্ষে এই জিনিষগুলির পিছনে রয়েছে কিছু পৌরাণিক বিশ্বাস। চলুন জেনে নিই বিষয়টি কি
একবার গুরু বৃহস্পতি ইন্দ্রদেবের প্রতি অত্যন্ত রেগে গিয়েছিলেন। ফলে এই সুবিধা গ্রহন করে অসুররা দেবলোক আক্রমণ করেন। এবং এই কারনেই ইন্দ্রদেব কে সিংহাসন ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছিল। অসুরদের থেকে নিজেকে রক্ষা করে তিনি সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার কাছে যান এবং সাহায্য চান। সৃষ্টি কর্তা ব্রহ্মা বলেছিলেন যে ইন্দ্র কে জ্ঞানীর পূজা করতে। যদি সে তুষ্ট হয় তাহলে তিনি আসন ফিরে পাবেন। ব্রহ্মার মতে ইন্দ্র জ্ঞানীসেবায় নিয়োজিত হন। জ্ঞানীর মা অসুর ছিলেন। আর তার সততা সম্পর্কে অবগত ছিলেন ইন্দ্রদেব। আর এই কারনেই জ্ঞানীর মনের মধ্যে অসূরদের জন্যে দয়া ছিল
তিনি সবকিছু দেবতাদের না দিয়ে অসূরদের দিতেন। এই কথা জানতে পেরে ইন্দ্র দেব জ্ঞানী কে হত্যা করেন। গুরুকে হত্যা করা একটা বড় পাপ। তাই তার উপর গুরু হত্যার পাপ লেগেছিল। এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনি একবছর ফুলের কুড়ির মধ্যে লুকিয়ে ছিলেন। এবং ভগবান বিষ্ণুতপস্যা করেন। ভগবান বিষ্ণু তপস্যায় খুশি হয়ে ইন্দ্রদেব কে রক্ষা করেছিলেন।বিষ্ণুদেব ইন্দ্র দেব কে তার পাপের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এক বুদ্ধি দেন।
তৃতীয় পাপটা ইন্দ্রদেব ভূমি কে দিয়েছিলেন এবং আশির্বাদ করেছিলেন যে এটিতে পাওয়া আঘাত সর্বদা পূর্ণ হয়ে যাবে, এরপর ছিল নারীর পালা। এইভাবে নারীরাও পাপের ভাগ পায়। যার ফলে প্রতি মাসে মাসিক হয়। এর পরিবর্তে নারীদের এই আশির্বাদ দেন যে নারীরা পুরুষদের থেকে ভালো কামবাসনা উপভোগ করতে সক্ষম হবে। আর এই কারনেই মহিলাদের প্রতি মাসে এই ব্যাথা ভোগ করতে হয়।





Post a Comment