ডাবের জল বা লবঙ্গ! ওষুধ ছাড়াই দূর হবে গ্যাস-অম্বল!

Odd বাংলা ডেস্ক: গ্যাসট্রিক বা অম্বল। এই সমস্যায় অনেকেই নিয়মিত হজমের ওষুধ খান। বুক জ্বালা, চোঁয়া বা ঢেকুর এতে পুরোপুরি না কমলে ওষুধের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। কেউ কেউ ঘরোয়া উপায়ে তা কমানোর চেষ্টা করেন।  

তবে ওষুধ বা অন্য কিছুতে ভরসা না করে প্রতিদিনের খাবারে রাখুন এমন কিছু উপাদান, যা আপনাকে আরাম দেবে আবার অম্বলের সমস্যাও দূর করবে। কী সেসব উপাদান? এবার তা বিস্তারিত জেনে নিন-

ক্যালশিয়াম শরীরের অম্ল শুষে নিতে অনেকটা সাহায্য করে। তাই গ্যাস-অম্বলের সমস্যায় ঠান্ডা দুধ পান করুন। গরম দুধ অনেক সময় গ্যাসের সমস্যা বাড়ায়। তাই দুধ ঠান্ডা হলে সেই সমস্যা তো থাকেই না বরং গ্যাসট্রিকের ব্যথাও কমিয়ে দিতে পারে।

কলা তার পটাশিয়ামের সাহায্যে গ্যাস-অম্বল কমাতে পারে। প্রতিদিন ফ্রুট সালাডে রাখুন কলা। ব্রেকফাস্টেও রাখতে পারেন এই কলা।

ডাবের জলের পটাশিয়াম ও সোডিয়াম গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কাটাতে পারে । চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন সকালে বা দুপুরে খাওয়ার পর একটা ডাবের জল খেলে এর ক্ষারীয় ভাব হজম সমস্যাকে দূরে রাখে, তেমনি পেটও ঠাণ্ডা রাখে।

যারা এই সমস্যায় ভোগেন তারা জোয়ানের ওপর ভরসা রাখতে পারেন। কারণ জোয়ান হজমে সাহায্য করে। তাই সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন জোয়ান। সকালে সেই জল ছেঁকে হালকা গরম করে খেয়ে নিন।

আদা ফোটানো জল বা আদার রস হজমে সাহায্য করে। তাই আদার সঙ্গে জোয়ান যোগ করলে ফল ভাল মেলে। জোয়ান ও আদা কুচি সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই জল ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে খেলে আরাম পাবেন।

হজমের সমস্যা দূর করে জিরা। জিরা ভেজে গুঁড়ো করে নিন। এবার সেই জিরেগুঁড়া এক গ্লাসে পানিতে গুলে নিন। সেই পানীয় খেতে পারেন খাওয়া-দাওয়ার পর। 

খাওয়া-দাওয়ার পর মৌরি খান অনেকেই। কেবল মশলার ঘ্রাণে মৌরি এগিয়ে এমনই নয়, গ্যাসের সমস্যা সমাধানেও এই মশলা বিশেষ কার্যকর। সারারাত মৌরি ভিজিয়ে রাখুন জলে। খাওয়া-দাওয়ার দশ মিনিট পর সেই জল ছেঁকে খেতে পারেন।

দু’-তিনটা লবঙ্গ চিবিয়ে খান। প্রতিদিন খাওয়া-দাওয়ার পর এই অভ্যাস গ্যাস-অম্বলের সমস্যার দূর করতে সাহায্য করবে।

এক কাপ জলে আধা চামচ দারচিনি গুঁড়া মিলিয়ে ফুটিয়ে নিন। এরপর ঠাণ্ডা করে খান। দারচিনির অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গ্যাস-অম্বলকে দূরে রাখে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.