মেদ কমাতে দারুণ কার্যকর লাল আলু! বলছে গবেষণা..
Odd বাংলা ডেস্ক: লাল আলুর বৈশিষ্ট্য এই আলুর একেবারে বিপরীত। তাই খাবার মেন্যুতে লাল আলু না থাকাটা একেবারেই ঠিক সিদ্ধান্ত নয়। বরং এটা সুস্থভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
কী কী কারণে খাবার মেন্যুতে লাল আলু রাখতেই হবে তার বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছে আমেরিকান ওবেসিটি অ্যাসোসিয়েশন। লাল আলুতে ভিটামিন এ, প্রয়োজনীয় খনিজ ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্টের মতো দরকারি উপাদান মজুত থাকে। আর যেসব গুণ রয়েছে লাল আলুর তার বিস্তারিত রইল-
ফাইবার : লাল আলুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। যা পাকস্থলীতে জেল জাতীয় আঠালো পদার্থ তৈরি করে। এতে পেট ভরে তাড়াতাড়ি, আজেবাজে খাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে আসে। ফলে ওজন কমানোয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ পায়। লাল আলু মেটাবলিজম বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম, আর সহজপাচ্য হওয়ায় হজমের সমস্যাতেও পড়তে হয় না।
উপকারী কার্বস : কার্বোহাইড্রেট মানেই যে তা অপকারী, তা কিন্তু নয়। বরং এনার্জি বাড়াতে এই সবজি কাজে আসে। শরীর গঠনের প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেটের অন্যতম উৎস এই লাল আলু। প্রতি ৩০০ গ্রাম লাল আলু সেদ্ধ থেকে ৫৮ গ্রামের মতো কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। নো-কার্বস ডায়েটে অভ্যস্তরাও একে সহজেই খাবার মেন্যু করে নিতে পারেন। কারণ এর কার্বোহাইড্রেট দ্রুত রক্তে মিশে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।
জল শোষণকারী : মেটাবলিজম বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের জলকে শোষণ করে নিতে এই সবজি দারুণ ওস্তাদ। জলের সঙ্গে শরীরের টক্সিনকে দূর করতেও বিশেষ কার্যকরী। তাই জমে থাকা জলের প্রভাবে শরীর ফুলে গেলে তার হাত থেকে অনেকটাই নিষ্কৃতি দেয় এই লাল আলু। শরীরের পিএইচ ফ্যাক্টরে ভারসাম্য রাখতেও সাহায্য করে এটি।
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট : লাল আলুতে জিঙ্ক সুপারঅক্সাইড, স্পোরামিন, ক্যাটালেস ধরনের অ্যান্টিঅক্সাইডের পরিমাণ বেশি থাকে বলে এগুলো শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।





Post a Comment