জিতেছেন চার বার, নেই পাকা বাড়ি, গোটা দেশজুড়ে চর্চায় এই বিধায়ক


Odd বাংলা ডেস্ক: আজকাল দেশ ও রাজ্যের রাজনীতিতে অর্থ যেন কথা বলে। এবার বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী বিধায়কদের ৮১ শতাংশই কোটিপতি। তবে বিহারে এমন এক নেতা আছেন যিনি এই অর্থের চাকচিক্য অনেক দূরে। বিহারের বলরামপুর বিধানসভা থেকে চতুর্থবারের মতো বিধায়ক হওয়া মেহবুব আলমের নিজের বাড়িও নেই। আর ঠিক এই কারণেই হাইভোল্টেজ বিহার ভোটের ফল প্রকাশের পর চর্চায় সিপিআইএমএল-এর বিধায়ক মেহবুব আলম৷ 

মহাজোট বিধায়ক মেহবুব আলম বিরাট বিধানসভা নির্বাচনকে বড় ব্যবধানে জয়ী করার সরলতার প্রতীক। মেহবুব আলমের অনেক ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। কিন্তু জনগণ তাঁর প্রশংসা করছেন কারণ তিনি জনসাধারণের সেবা করেছেন এবং চতুর্থবারের মতো বিধায়ক হওয়ার পরেও তিনি আজ অবধি নিজের বাড়িটি পরিবর্তন করতে পারেননি, আজও এই নেতা একটি কাঁচা ঘরে থাকেন। মেহবুব আলমকে নিয়ে চর্চার আরও একটি কারণ, হল বিহারে এবার সবথেকে বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন তিনি৷ কাটিহারের বলরামপুর কেন্দ্র থেকে ৫৩ হাজারেরও বেশি ভোটে জয় পেয়েছেন মেহবুব আলম৷ এর থেকেই বোঝা যায়, নিজের এলাকায় কতখানি জনপ্রিয় এই বিধায়ক৷ 

চাষের কাজ করেই সংসার চালান ৪৪ বছরের মেহবুব আলম। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাকে নিয়ে চলছে জোর চর্চা। মানুষ বলছে, ‘দেশের প্রতিটি কেন্দ্রেই এমন সব জনপ্রতিনিধি দরকার৷’ মেহবুব আলমের ছবি দিয়ে কেউ আবার লিখেছেন, ‘ইনি পরিযায়ী শ্রমিক নন, একজন বিধায়ক৷’ ফেসবুকে আর একজন লিখেছেন, ‘মেহবুব আলমের আসল সম্পদ তাঁর সততা৷’ ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) (লিবারেশন) নেতা মেহবুব আলম চতুর্থবারের জন্য বিজয়ী হয়েছেন। এবার তিনি রেকর্ড ভোটে জিতেছেন। তিনি বলরামপুর বিধানসভা আসনে ৫৩ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। মেহবুব আলম নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার পেশা হচ্ছে কৃষিকাজ। ৪৪ বছর বয়সী মেহবুব আলমের দশম শ্রেণী পাস যোগ্যতা রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.