মধু খাঁটি না ভেজাল, চিনবেন কী উপায়ে? রইল সহজ ৫ পরীক্ষা-পদ্ধতি
Odd বাংলা ডেস্ক: শীতকালে গরম জলে এক চামচ মধু বা মধু তুলসীপাতা খাওয়া শরীরে জন্য খুবই উপকারী। আর সেই কারণে খাঁটি মধু খাওয়াটা খুবই প্রয়োজন। কিন্তু আজকের ভেজালের বাজারে কোনটা খাঁটি, কোটনা ভেজাল তা বোঝাটা খুবই কঠিন। কিন্তু আজ আপনাদের জন্য রইল খাঁটি মধু চেনার উপায়।
প্রথম পদ্ধতি- এই পদ্ধতিতে এক গ্লাস জলের মধ্যে মাত্র এক চামচ মধু মেশান। জলের মধ্যে আস্তে আস্তে নাড়ুন। যদি দেখেন মধুর সঙ্গে জল মিশে যাচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে এই মধুটি আসল মধু না। আর যদি মধু আসলই হয়ে থাকে, তাহলে মধু জলে মিশে যাবে না, বরং ছোট ছোট দলা আকারে জলের মধ্যে ছড়িয়ে যাবে। তবে এই পদ্ধতিতে আসল মধুর সাথে কিছুটা ভেজাল মেশালে তা সহজে বোঝা যাবে না।
দ্বিতীয় পদ্ধতি- পিঁপড়ে মিষ্টি জিনিস পছন্দ করলেও মধু পছন্দ করে না। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা থাকতে পারে, তবে আমরা সেদিক যাব না। এক টুকরা কাগজে কিছু মধু লাগিয়ে যেখানে পিঁপড়ে আছে সেখানে রেখে দিন। যদি পিঁপড়েরা এই কাগজের দিকে আকৃষ্ট হয়, এবং এটিকে ঘিরে ধরে, তাহলেই বুঝতে হবে এই মধু আসল না! আর যদি পিঁপড়ে পাত্তাই না দেয়, তাহলে বুঝবেন যে এটা আসলেই আসল মধু।
তৃতীয় পদ্ধতি- এ পদ্ধতিতে পরীক্ষার জন্য প্রথমেই এমন এক টুকরা সাদা কাপর নিন যেটি আপনি হয়ত আর পরে ব্যবহার করবেন না। এবার কাপরে সামান্য মধু সরাসরি লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। যদি জলে ধুয়ে ফেললে দাগ চলে যায়, তাহলে বুঝবেন এটি আসল। নকল মধু/ভেজাল মেশানো মধুতে থাকা জিনিস আপনার কাপড়ে দাগ ফেলবে, যা আসল মধু করে না।
চতুর্থ পদ্ধতি- বাটিতে একটু মধু নিয়ে ডিপ ফ্রিজে একদিন রেখে দিন। একদিন পর মধু বের করে দেখুন, যদি আসল মধু হয়, তাহলে এটির কোনও অংশও জমবে না। যদি পুরোটা জমে যায় কিংবা কিছু অংশ জমে কিংবা নিচের অংশ জমে আসছে এমন হয়, তাহলে বুঝবেন যে এটিতে ভেজাল আছে। আসল মধু ঠাণ্ডায় জমে যায় না।
পঞ্চম পদ্ধতি- এই পরীক্ষার জন্যও আপনাকে কোনও সায়েন্স স্টোর থেকে ব্লটিং পেপার কিনে আনতে হবে। ব্লটিং পেপারের উপরে কয়েক ফোঁটা মধু নিন। যদি মধু ব্লটিং পেপারের ভিতরে আস্তে আস্তে ঢুকে যায় বা শুষে যায়, বুঝবেন এটি আসল মধু নয়। কারণ আসল মধু ব্লটিং পেপারকে ভেজায় না।





Post a Comment