ডাইনোসরের দেখা মিলছে আজও!
Odd বাংলা ডেস্ক: জুরাসিক পার্কের সেই দৃশ্যটি মনে আছে? যেখানে মশার শরীর থেকে ডিএনএ নিয়ে পুনর্জন্ম দেওয়া হয়েছিল দৈত্যকায় ডাইনোসরদের। মশার সেই ডিএনএ সংরক্ষিত হয়ে ছিল বিশেষ এক ধরনের রেজিনের মধ্যে। সিনেমায় নয়, এবার বাস্তবিকই তেমন ঘটনার হদিশ মিলল।
অ্যাম্বার— এমনই এক রেজিন, যা প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে অলংকার নির্মাণে। চিন থেকে গ্রিস— বিশ্বের বহু দেশই দীর্ঘদিন এই অ্যাম্বার ব্যবহারের তালিকায় রয়েছে। পৃথিবীতে পদার্থটির সৃষ্টিও প্রায় ১০ কোটি বছর আগে। এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল, অ্যাম্বারের রয়েছে একটি বিশেষ গুণ যা তাকে কঠিন কেলাসে পরিণত করার পর তার ভিতরের বস্তুকে লক্ষ-কোটি বছরেও নষ্ট হতে দেয় না। ফলে তার ভিতর থেকে ডাইনোসরের অস্তিত্ব পাওয়া অস্বাভাবিক কোথায়!
এমনই ডাইনোসরের চিহ্ন মিলছে ভারতের অন্যতম প্রতিবেশী মায়ানমারের কাচিন রাজ্যের মিটকিনায়। এখানেই রয়েছে পৃথিবীর একমাত্র বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অ্যাম্বার উত্তোলনের খনি। এবং এখানকার অ্যাম্বার হল ‘ক্রিটেশাস’ যুগের, অর্থাৎ যে যুগের শেষ দিকে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায় ডাইনোসর।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মায়ানমারের এই অংশ থেকে পাওয়া অ্যাম্বারের অনেক পাথরেই মিলেছে ডাইনোসরের দেহাংশ। বেজিং-এর চায়না ইউনিভার্সিটি অব জিওসায়েন্সেস-এর গবেষক লিডা জিং যেমন পেয়েছিলেন একটি ডাইনোসরের লেজের কিছুটা!
স্বাভাবিক ভাবেই এহেন অ্যাম্বারের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বহু মানুষের। অনেকেই তন্ন তন্ন করে খুঁজছেন ডাইনোসর-সমেত অ্যাম্বার। কেউ অর্থের বিনিময়ে সংগ্রহ করতে চাইছেন। এলাকার অর্থনীতিও নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এর উপরে। ডাইনোসরের সূত্রে অ্যাম্বারের তৈরি অলংকারের কদরও ফিরে আসছে।
খ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশপাথর! এমনই পরশপাথরের সন্ধানে মেতেছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব আকবর খান। তাঁর স্পষ্ট কথা— ‘‘কারও কাছে বড় একটা হিরে আছে, তাতে কী? পৃথিবী জুড়েই তো বড় বড় হিরে। কিন্তু ডাইনোসর-ভরা অ্যাম্বার আর ক’টা!’’





Post a Comment