নিমের তেল হতে পারে বিপজ্জনক

Odd বাংলা ডেস্ক: ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান রয়েছে নিমের তেলে। বিশেষ করে নিমের তেল ত্বক ও চুলের জন্য খুবেই উপকারী। তবে শক্তিশালী এই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

> নিমের তেল অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই এটা নারকেল বা জোজোবা তেলের সাহায্যে ব্যবহার করা উচিত।

> এই তেল ব্যবহারের পর যদি ত্বকে যদি কোনো রকম দানা, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি দেখা দেয় তাহলে দ্রুতই ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।

> নিমের তেল খাওয়ার উপযুক্ত নয়। তাই কখনই নিমের তেল গ্রহণ করার চেষ্টা করা যাবে না।

> যদি প্রথমবার নিমের তেল ব্যবহার করেন তাহলে আগে অল্প পরিমাণে ব্যবহার করে দেখুন। মাথায় ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন মুখের সংস্পর্শে না আসে।

> যদি এতে লালচেভাব সৃষ্টি হয় তাহলে পরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতে হবে অথবা ব্যবহার সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে।

> শরীর বা মাথার ত্বকে বড় অংশ জুড়ে নিমের তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে তা নারিকেল, জোজোবা, আঙুরের অথবা ল্যাভেন্ডার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে কার্যকারিতা ও গন্ধ দুইটাই খানিকটা কমবে। নিয়মিত শ্যাম্পুর সঙ্গে দুই-এক ফোঁটা নিম তেল মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।

> নিম প্রাচীনকাল থেকেই গর্ভনিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই কেউ গর্ভাবস্থায় বা সন্তান নিতে ইচ্ছুক হলে নিমের তেল এড়িয়ে চলাই ভালো। এটা উর্বরতা কমায় ও গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।

> যাদের বিভিন্ন রকম ত্বকের জড়তা-বিষয়ক, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কিত ও বাত জ্বরের সমস্যা আছে তাদের নিম তেল ব্যবহার না করার পরামর্শ দেয়া হয়।

> নিমের তেল অন্যান্য ওষুধের কার্যকারিতা কমায়। তাই এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

> ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রার দিকে সচেতন থাকা উচিত এবং এই সময় নিমের তেল ব্যবহারে সতর্ক হওয়া উচিত। এই তেল ব্যবহারের সময় ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধের মাত্রা ঠিক করিয়ে নেয়া জরুরি।  

> ঘন নিম তেলের সংস্পর্শে অ্যালার্জি বা জ্বলুনি সৃষ্টি হতে পারে। তাই ব্যবহারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.