যেসব কারণে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওজন

Odd বাংলা ডেস্ক: শীত আসতেই ওজন বেড়ে যাওয়ার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। ওজন বেড়ে যাওয়া কারো জন্যই আসলে সুখকর নয়। আর একবার ওজন বেড়ে গেলে তা কমানো যেন দুঃস্বপ্ন। কেননা কঠোর ডায়েট মেনে চলা। সেই সঙ্গে রাত দিন শারীরিক কসরত। তাতে ওজন কমানো সম্ভব হয় না। 

শরীরের উপর এক প্রকার অত্যাচার করা। সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদ গ্রাস করতে থাকে। নানান রোগ হওয়ার সম্ভাবনা তো রয়েছেই। চলুন জেনে নেয়া যাক শীতের সময়টাতে কেন সবার ওজন বেড়ে যায়। আপনার এই সময়ের রুটিনে কিছুটা হলেও পরিবর্তন আসে। যে কারণে ওজন বেড়ে যায়। সেগুলো হলো- 

শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া 

শীতের শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কেমন যেন অলসতা ভর করে। আগে ভোরে ঘুম থেকে উঠে দিন শুরু করলেও শীতে তা হয় না। একটু বেলা করেই দিন শুরু করেন সবাই। এই ভুলটিই আপনার ওজন বাড়িয়ে দেয়ার প্রথম এবং প্রধান কারণ। সেই সঙ্গে শারীরিক পরিশ্রম তো কমেই কিছুটা। অনেকে ঠাণ্ডার কারণে হাটা, জগিং ছেড়ে দেন। এতে করে খাবার খাওয়ার মাধ্যমে  শরীরে যে ক্যালোরি যোগ হয় বা বার্ণ হয় না। ফলে তা ফ্যাট আকারে শরীরে জমা হয়। সবচেয়ে ভালো নয় আপনি একজন ওয়ার্কআউট পার্টনার খুঁজে বের করুন। এতে হাটা বা জগিং এর প্রতি আগ্রহ জমবে।


মন মেজাজের উপর প্রভাব

সূর্যের আলোর অভাবে বেশিরভাগ মানুষ সিজনাল অ্যাফেক্টিভ ডিসঅর্ডারে ভোগে। এর ফলে মানুষ অনেক সময় বেশি খেয়ে থাকে বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে থাকে যা অস্বাস্থ্যকর জীবন পরিচালিত করে। এতে করে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওজন বাড়ে। এই সমস্যাটি কাটিয়ে উঠতে, যখনই সম্ভব সূর্যের আলোতে কিছুটা সময় ব্যয় করার চেষ্টা করুন।

ভারী খাবার

শীতকালে আমরা বেশিরভাগ সময় ভারী খাবার খেতে পচ্ছন্দ করি। উষ্ণ খাবার শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে এবং সেই সঙ্গে আমাদের মেজাজকেও ভালো রাখে। তবে অতিরিক্ত কার্ব এবং চর্বিযুক্ত খাবারে বিপদ রয়েছে। এজন্য  ওজন বৃদ্ধি এড়াতে স্বাস্থ্যকর খাবার পচ্ছন্দ করুন ক্রিমি স্যুপের পরিবর্তে ক্লিয়ার স্যুপ খান।

ডিহাইড্রেশন

শীতকালে হাইড্রেট থাকাই অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এই সময়টা শরীর সুস্থ রাখতে দিনে ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান করুন। কারণ পানির অভাবে ডিহাইড্রেশন দেখা দেয় আর ডিহাইড্রেশনের ফলে শরীর দূর্বল লাগে ও ক্ষুধা বাড়ে।

হরমোনাল সমস্যা

ডায়াবেটিস এবং থাইরয়েডে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সত্যিকার অর্থে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারেন। শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে হরমোনগুলো সাধারণত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আপনার হরমোন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত চেক-আপ করান। 

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.