অ্যাসিডিটি থেকে বাঁচতে যা খাবেন!

Odd বাংলা ডেস্ক: কমবেশি অ্যাসিডিটির সমস্যা নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটাকে রোগ হিসেবে আমরা খুব গুরুত্ব দিতে চাইনা। কিন্তু গ্যাস বা অ্যাসিডিটি আমাদের বেশ ভোগায়। তাই খাবারদাবারে পরিবর্তন করতে হয়, স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে নজর দিতে হয়। কিছু খাবার আছে যাতে কখনো গ্যাস হয়না বরং গ্যাসের সমস্যা আরও কমে যেতে পারে। আজ এমন কিছু খাবার সম্পর্কে জানবো-

শসা

অনেকে ভাবে শসা খেলে অ্যাসিডিটি বা ঢেকুরের সমস্যা হবে। কিন্তু শসায় রয়েছে প্রচুর সিলিকা, ভিটামিন সি, প্রচুর পানি এবং নিম্নমাত্রার ক্যালরি। ফলে শরীরের ওজন কমাতে চাইলে শসা হতে পারে উৎকৃষ্ট। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে হজমে ভালো সুবিধা হয়, দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। অ্যাসিডিটির কোনো সমস্যাই থাকে না।

আনারস

আনারসে প্রায় ৮৫ শতাংশই তাকে জল এবং ব্রোমেলাইন (একধরনের পাচক রস)। এটি পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে। ফলে সহজে হজম হয়ে যায়, হজমে কোনো গোলমাল তৈরি করে না, পেটে গ্যাসও জমে না।

দই

দই সত্যিকার অর্থেই হজম সহায়ক। দইয়ে রয়েছে ল্যাকটোব্যাকিলাস, অ্যাসিডোফিলাস ও বিফিডাস নামের উপকারী ব্যাকটেরিয়া। এগুলোর ফলে হজম ভালো হয়, গ্যাস কমে। খাবারের পর টকদই খাওয়া বেশ কার্যকর। এতে করে পেটের খাবার ভালোভাবে হজম হয়।

তরমুজ

আমাদের প্রিয় ফল তরমুজে রয়েছে ৯২ শতাংশ পানি। গরমের সময় শরীর থেকে বিপুল পরিমাণে পানি বেরিয়ে যায়। তাই তরমুজের কোনো বিকল্প নেই এসময়ে। তরমুজে রয়েছে পটাশিয়াম যা গ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

হলুদ

হলুদের গুণের কোনো শেষ নেই। বিশেষ করে আয়ুর্বেদীয় শাস্ত্রমতে। আমাদের হজমসংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা সমাধান করতে পারে হলুদ। বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার হজম করাতে হলুদ বিশেষ কার্যকর। পেটে কোনো গ্যাস জমে থাকলে সেই গ্যাস বের করে দিতে পারে হলুদ। সেই সঙ্গে পেটের প্রদাহও কমিয়ে দিতে পারে।

পালংশাক

পালংশাক একটি ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার। এই শাক আমাদের পরিপাকতন্ত্র পরিষ্কার রাখে, পেটে জমে থাকা  গ্যাস কমিয়ে দেয়। এজন্য পালংশাক ভালোমতো রান্না করে নিন। নিয়মিত খেলে পেটের অনেক সমস্যা আর প্রদাহের নিরাময় হবে।

মৌরি

সুগন্ধি শস্য মৌরির রয়েছে বিবিধ গুণ। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাংগানিজ, ভিটামিন সি, আয়রন, সেলেনিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম। এগুলো আমাদের পেটের যেকোনো ধরনের সমস্যাকে দূর করে। মৌরি দিয়ে চা তৈরি করে খেতে পারেন, এতে করে হজমপ্রক্রিয়া ভালো হবে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে মৌরি। গ্যাস্ট্রিক এনজাইম তৈরিতে মৌরির ভূমিকা রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.