মহাভারতের অশ্বত্থামা কি এখনও জীবিত?
Odd বাংলা ডেস্ক: প্রচলিত যে রয়েছে যে পাণ্ডবের পুত্রদের হত্যার জন্য শ্রীকৃষ্ণ অশ্বত্থামার উপর ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন। পাণ্ডব বংশের ক্ষতির প্রতিশোধ নিতে, তিনি অশ্বত্থামাকে অভিশাপ দেওয়ার উপায় ভেবেছিলেন এবং তাকে যন্ত্রণাদায়ক ও দুর্দশার পরজীবনে পরিণত করেছিলেন।
শ্রীকৃষ্ণের ক্রোধ
শ্রীকৃষ্ণ অশ্বত্থমাকে এক জঘন্য কুষ্ঠরোগের অভিশাপ দিয়েছিলেন যা তাকে ৩,০০০ বছর ধরে যন্ত্রণা দেয়। এমনকি কৃষ্ণ বলেছিলেন যে, অশ্বত্থামাকে কেউ সাহায্য করবে না বা খাবার বা আশ্রয় দেবে না।
তাঁর জীবিত থাকার যে ধারণা রয়েছে-
মধ্য প্রদেশের এক চিকিৎসক দাবি করেছিলেন যে, তাঁর অসুস্থ রোগী তাঁ কাছে এসেছিল যাঁর কপালে সেপটিক হয়ে গিয়েছে। অনেক চিকিৎসা সত্ত্বেও, ক্ষতটি তাজা ছিল এবং তা থেকে ক্রমাহত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এতে অবাক হয়ে চিকিৎসক বলেছিলেন যে তাঁর ক্ষতটি শাশ্বত এবং এর নিরাময় হতে পারে না।
পাইলট বাবা-সহ কিছু যোগীরা হিমালয়ের পাদদেশে বসবাসকারী উপজাতিদের মধ্যে অশ্বত্থামার মুখোমুখি হয়েছিল বলেও দাবি করেছিলেন। বিশ্বাস করা হয় যে অশ্বত্থামা প্রতিদিন সকালে শিবলিঙ্গকে ফুল দেয়।
দর্শনীয় স্থান
এ ছাড়াও স্থানীয়দের মতে, হিমালয়ের পাদদেশের কোনও এক অঞ্চলে কপালের মাঝখানে একটি গুরুতর আহত রয়েছে এমন এক খুব লম্বা লোক বছরে একবার কোনও রেস্তোঁরা দেখতে আসে।
বছরে একবার, সে গিয়ে মালিকের দ্বারা তৈরি করা খাবার পুরোটা খায় এবং কমপক্ষে ১০০ লিটার জল পান করে। এই প্রতি বছর লোকটিকে দেখেন এমন স্থানীয়রাই এই 'দাবি' করেছিলেন।
এছাড়াও কথিত আছে, দ্বাপর যুগে ১২-১৪ ফুটের উচ্চতাসম্পন্ন কোনও এক ব্যক্তি ছিল এবং আর এই আকারের কোনও মানুষ এই শতাব্দীর হতে পারে না।





Post a Comment