অবাধ মেলামেশায় ভয়ঙ্কর সিফিলিস!
Odd বাংলা ডেস্ক: নারী-পুরুষের মেলামেশার মাধ্যমে ৯০-৯৫ ভাগ ক্ষেত্রে সিফিলিস রোগটি ছড়ায়। চামড়ার ক্ষত দিয়েও এ জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
কীভাবে ছড়ায় :
রোগীকে পরীক্ষা করার সময়, রক্ত পরীক্ষা করার সময় ও ডেলিভারি করানোর সময় যদি গ্লাভস ব্যবহার করা না হয় তবে ডাক্তার, নার্স ও ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ানদের আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে এ রোগ হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির তৈজসপত্র, তোয়ালে ইত্যাদি ব্যবহার করলেও এ রোগ হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করলে।
লক্ষণ :
ত্বকে ছোট লাল দানাযুক্ত ব্যথাবিহীন ও চুলকানিবিহীন গোটা উঠে। ওজন কমে যাওয়া, জ্বর জ্বর ভাব, মাথা ব্যথা, চুল পড়া, লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়ার মতো সেকেন্ডারি উপসর্গও দেখা যায়।
জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ১০-৪০ বছর পর হৃৎপিণ্ডের সমস্যা দেখা যায়। মায়ের সিফিলিস থাকলে জীবাণু গর্ভফুলের মাধ্যমে মায়ের থেকে ভ্রণের শরীরে প্রবেশ করে। এ ক্ষেত্রে গর্ভপাত, মৃত সন্তান প্রসব বা জন্মগত সিফিলিস দিয়ে শিশু জন্মগ্রহণ করতে পারে।
চিকিৎসা-রোগের স্তর ভেদে ইনজেকশন পেনিসিলিন বিভিন্ন মাত্রায় বিভিন্ন মেয়াদে ব্যবহার করা হয়। পেনিসিলিনে সংবেদনাশীলতা থাকলে ইরাইথ্রোমাইসিন, টেট্রাসাইক্লিন, ডক্সিসাক্লিন ইত্যাদি ওষুধ দিয়েও চিকিৎসা করা হয়।





Post a Comment