ছত্তিসগড়ে বড়সড় মাওবাদী হামলা, নিহত ২৩ জওয়ান, আহত অন্তত ৩০!


Odd বাংলা ডেস্ক: ছত্তীসগঢ়ের জাগারগুন্ডা-জোঙ্গাগুড়া-তারেমে মাওবাদী হামলার ঘটনায় অন্তত ২২ জন জওয়ান নিহতের নিহত হওয়ার খবর মিলেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন জওয়ান। জওয়ানদের কাছ থেকে ১২টিরও বেশি আধুনিক অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে মাওবাদীরা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, অন্তত ২৫-৩০ জন মাওবাদীও এ ঘটনায় নিহত হয়েছে। তবে ঘটনাস্থল থেকে কেবল একজন মাওবাদী নারীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সকালেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।সূত্রের খবর, ঘটনাস্থলটি পরিদর্শন করবেন শাহ। পাশাপাশি আহত জওয়ানদের সঙ্গেও দেখা করবেন তিনি।

এ ঘটনায় কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছে মোদী সরকার। অসমে প্রচারের সূচি কাটছাঁট করে তড়িঘড়ি দিল্লিতে ফিরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর আগে ২০১০ সালে দন্তেওয়াড়ার চিন্তলনারে মাওবাদী এলাকা দখলে রাখার অভিযান চালাচ্ছিল সিআরপি। তখন মাওবাদী হামলায় ৭৬ জন জওয়ান নিহত হয়েছিলেন। ওই হামলার ঘটনাকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ওপর সবচেয়ে বড় মাওবাদী হামলার ঘটনা বলে, মনে করেন বিশেষজ্ঞেরা। 

সিআরপি জানিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে সুকমা-বিজাপুর সীমানার জাগারগুন্ডা-জোঙ্গাগুড়া-তারেমের জঙ্গলে মাওবাদীরা জমি ফিরে পেতে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে গোয়েন্দা রিপোর্ট ছিল। মাওবাদীদের গতিবিধির খবর পেয়ে গতকাল ভোরে অভিযানে নামে সিআরপি, ছত্তীসগঢ় পুলিশের ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড ও অন্য বাহিনীর দেড় হাজার জওয়ানের একটি দল। গতকাল ভোরে জাগারগুন্ডা-জোঙ্গাগুড়া-তারেমের একটি এলাকায় ৭৯০ জন জওয়ানের একটি দলকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় মাওবাদীরা। 

সিআরপি জানায়, প্রায় চারশ মাওবাদী লাইট মেশিনগান, গ্রেনেড, রকেট নিয়ে হামলা চালায়। মাওবাদীরা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও গাছের আড়াল নিয়ে জবাব দেন জওয়ানরা। পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এক জায়গা থেকে সাত জন জওয়ানের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে গাছের ডালে অসংখ্য গুলির চিহ্ন আছে। তা থেকেই বোঝা যাচ্ছে- জওয়ানরা গুলি শেষ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.