ভারতে করোনা মহামারির ইতিহাসে এই প্রথম,গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ পার!
এই অবস্থায় রবিবার দেশের শীর্ষস্থানীয় আমলা ও স্বাস্থ্যকর্তাদের সামনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তীরে এসে তরী ডোবানো চলবে না। সূত্রের খবর, গোটা দেশে লকডাউন না-করে কী ভাবে করোনা প্রভাবিত রাজ্যে এলাকাভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোন ও আংশিক লকডাউনের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা যায়, তারই রাস্তা খোঁজার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী মনে করছেন, গত বছর গোটা দেশে লকডাউন জারি করে করোনার প্রকোপ রোখার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাওয়া গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু দেশবাসীর রুটি-রুজির উপর তার প্রভাব পড়েছে যথেষ্ট। এই অবস্থায় বছর ঘুরতে না-ঘুরতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আবার যদি লকডাউন ঘোষণা করতে হয়, তা হলে দেশের অর্থনীতিকে আর চাঙ্গা করা যাবে না।
তাঁর মতে এই অবস্থায় সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো 'জন- আন্দোলন' ও 'জন-ভাগিদারি', যেখানে দেশের মানুষই করোনা প্রতিরোধক নিয়মাবলি মেনে লড়াই করবেন৷ তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশে বিশেষ প্রচার-অভিযান করবে কেন্দ্র, যেখানে ১০০ শতাংশ মাস্কের ব্যবহার ও সুরক্ষাবিধি পালনের উপরে জনসচেতনতা বাড়ানোর কাজ করা হবে৷ মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে সাত দিনের এই প্রচার৷





Post a Comment