বুকে কফ ? জানুন ঘরোয়া উপায়ে দূর করার উপায়…

Odd বাংলা ডেস্ক: শরীর খারাপ হবে না, একথা বলা যায় না। আমাদের একটা কমন শরীর খারাপ হল ঠান্ডা লাগা। সারা বছর এটি লেগেই থাকে, সর্দি কাশি যেন আমাদের নিত্য সঙ্গী। আর এই সর্দি কাশি সব থেকে বেশি হয় ঋতু পরিবর্তনের সময়। শীতকালে সর্দি কাশির প্রকোপ সব থেকে বেশি থাকে। এটি আরও বেশি মারাত্মক হয় যখন বুকে ঠান্ডা লেগে যায় বা বুকে কফ জমে।

এই কারনে শ্বাসকষ্ট হয়। শুধু বড়রা নয়, বাচ্চারাও এতে কষ্ট পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আমরা বেশিরভাগ সময়ই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে থাকি। আর এখন ডাক্তার দেখানো মানে হাজার হাজার ওষুধ, অনেক টেস্ট এবং অনেক খরচ সাপেক্ষ।

সবার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না এগুলি। কিন্তু ঘরোয়া কিছু উপায় আছে যার সাহায্যে সহজেই মুক্তি পাওয়া যেতে পারে এই সর্দি কাশি থেকে। বুকে জমে থাকা কফ দূর করার জন্য অসাধারন কিছু ঘরোয়া উপায় জেনে নেওয়া যাক তাহলে।

লেবু ও মধুর সিরাপ - এক চামচ মধুর সাথে লেবুর রস ও দারুচিনির গুড়ো মিশিয়ে সিরাপ তৈরি করুন। বুকে কফ জমে গেলে শ্বাস নিতে অসুবিধা হলে সিরাপটি পান করুন, তাছাড়া কুসুম গরম জলে এক চামচ লেবু ও মধু মিশিয়ে খেলে গলা পরিষ্কার হয়।

আদা - এক গ্লাস জলে আদা ভালো করে ফুটিয়ে নিন। জল ভালো করে ফুটলে আদাটা ছেকে নিয়ে হালকা গরম জলটা খেয়ে নিন। শুকনো কাশির জন্য বা গলা খুসখুস ভাব কমানোর জন্য একটুকরো আদা মুখে রেখে দিতে পারেন। আদা চাও বেশ উপকারী কাশি আর গলাব্যথার জন্য।

হলুদ - এক গ্লাস হালকা গরম জলে এক চিমটি হলুদ গুড়ো মিশিয়ে কুলকুচি করতে পারেন বা এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদ মিশিয়ে তার সাথে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। হলুদে কারকিউমিন উপাদান থাকে যা বুকের কফ বের করতে সাহায্য করে।

লবন জল - সামান্য গরম জলের সাথে এক চা চামচ লবন মিশিয়ে গারগেল করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। লবন শ্বাসযন্ত্র থেকে কফ দূর করতে সাহায্য করে।

চা - আদা, পুদিনা পাতা, রোজমেরি মিশিয়ে চা তৈরি করে খেলে সেটও বেশ উপকারী। চিনির বদলে মধু ব্যবহার করলে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়।

পেয়াজের নির্যাস - এতে থাকা কুয়ারসেটাইন সর্দি দূর করে, জমতে বাধা দেয়। আবার সংক্রমণ রোধ করে। পেয়াজ থেকে রস বার করে তাতে লেবুর রস, মধু ও জল মিশিয়ে পরে হালকা গরম করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.