এই ৬ কাজ করলেই ভয়ে পালাবে হার্ট অ্যাটাক!
Odd বাংলা ডেস্ক: গবেষকদের মতে শরীরচর্চার অভাব, শরীরের দিকে খেয়াল না রাখা, স্ট্রেস, জাঙ্ক ফুড খাওয়া অভ্যাস, ধূমপান এবং অনিয়ন্ত্রিত মদ্যপান প্রভৃতি নানা কারণে কম বয়সিরা হার্ট অ্যাটক এবং স্ট্রোকের ফাঁদে পরে প্রাণ দিচ্ছে।
সেই কারণেই তো সময় থাকতে থাকতে শরীরচর্চা শুরু করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। নিয়মিত শরীরচর্চা করার পাশাপাশি যদি এই প্রবন্ধে আলোচিত খাবারগুলি নিয়মিত খেতে পারেন, তাহলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি স্ট্রোক এবং
হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।
প্রসঙ্গত, হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে যে যে খাবারগুলি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হলঃ-
১. ওটমিল:
প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে হোক কী যে কোনও সময়, এই খাবারটি খেলে শরীরে ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি যেমন দূর হয়,
তেমনি খারাপ কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর মাত্রাও কমে।
ফলে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
২. মাছ:
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদানটি হার্টের স্বাস্থ্য়ের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
প্রসঙ্গত, আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের রিপোর্ট অনুসারে সপ্তাহে ২-৩ বার যদি মাছ খাওয়া যায়, তাহলে শীররে এই বিশেষ ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিডটির ঘাটতি দূর হয়।
ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই হে মাছে-ভাতে বাঙালি,
আর যাই করুন না কেন, ভুলেও রোজের ডায়েট থেকে মাছকে বাদ দেবেন না যেন!
৩. রসুন:
একাধিক গবেষণায় একথা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেছে যে প্রতিদিন সকালে যদি এক কোয়া করে রসুন খাওয়া যায়,
তাহলে রক্তে বাজে কোলেস্টেরল বা এল ডি এল-এর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না। উল্টে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।
এখানেই শেষ নয়, রসুন হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে সারা শরীরে রক্তর সরবরাহ মারাত্মক বাড়িয়ে দেয়।
ফলে হার্টের পাশাপাশি মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও মারাত্মক বৃদ্ধি পায়।
৪. সয়াবিন:
হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে যে পরিমাণ ফাইবার, ভিটামিন এবং
মিনারেলের প্রয়োজন পরে, তার অনেকটাই সরবরাহ করে সয়াবিন।
সেই কারণেই তো প্রতিদিন এই খাবারটি খেলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়,
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের আশঙ্কা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা নেওয়া ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতেও সয়া প্রোটিন বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
সেই কারণেই তো হার্টকে ভাল রাখতে নিয়মিত সোয়াবিন বা সোয়া মিল্ক খাওয়ার পরিমার্শ দেন চিকিৎসকরো।
৫. কাঁচা লঙ্কা:
শুনে অবাক লাগলেও একথা ঠিক যে হার্টকে সুস্থ রাখতে কাঁচা লঙ্কার বাস্তবিকই কোনও বিকল্প হয় না।
আসলে এতে উপস্থিত ক্যাপসিসিন নামক উপাদান, ব্লাড ভেসেলের ইলাস্ট্রিসিটি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
সেই সঙ্গে ব্লাড ক্লটের আশঙ্কাও কমায়।
ফলে হার্টের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রাকাশিত বেশ কয়েকটি গবেষণা পত্র অনুসারে কাঁচা লঙ্কায় উপস্থিত ক্যাপসিসিন, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের
মাত্রা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে সবদিক থেকে হার্ট সুরক্ষিত থাকে।
৬. আদা:
এই প্রাকৃতিক উপাদানটি একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, তেমনি অন্যদিকে ব্লাড ক্লটের আশঙ্কাও দূর করে।
সেই সঙ্গে হার্টের অন্দরে কোনওভাবে যাতে প্রদাহ সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।
এক কথায় সব দিক থেকে হার্টকে নিরাপত্তা প্রদানে আদা দারুন কাজ আসে।





Post a Comment