এবারও 'একলা পহেলা', ঘরের ভেতরেই একান্তে কাটান
Odd বাংলা ডেস্ক: পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। বাঙালির প্রতিটি ঘরে ঘরেই এই দিনটিকে উদযাপন করা হয়। যে যেভাবে পারেন এই দিনটি সেভাবেই সবাই পালন করেন। যদিও বর্ষবরণের রীতি প্রায় সব দেশেই রয়েছে। আমাদের দেশে এই উৎসব গ্রামকেন্দ্রিক হলেও, এখন শহরে এর আমেজ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
প্রতি বছর নারী, পুরুষ, শিশু সবাই নিজেদের সাজায় বৈশাখী সাজে। গতবারের মতো এবারো আর তা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ হচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা। যা আমাদের দেশে আবারো মরণ থাবা বসিয়েছে। তাই ছোঁয়াচে এই রোগ থেকে বাঁচতে বাঙালিরা এক প্রকার ঘরবন্দী। তাই বলে যে বর্ষবরণ হবে না, তা কিন্তু নয়। বাইরে না বের হলেও ঘরে বসেই পালন করুন নববর্ষ। এমন পরিস্থিতিতে ঘরই নিরাপদ স্থান। সুস্থ থাকতে এবারের বৈশাখ বরণে একটু না হয় ভিন্নতা এলো, ঘরেই আনন্দে কাটুক সারাদিন। এদিন ঘরে কীভাবে বৈশাখ উদযাপন করবেন এ বিষয়ে চলুন জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত-
সকালে ঘুম থেকে উঠেই ঘর সাজিয়ে নিন
সকালে ঘুম থেকে উঠেই ঘরটি পছন্দ অনুযায়ী সাজিয়ে নিন। ঘরের ভিন্ন রকমের সাজই বাড়িতে উৎসবের আমেজ নিয়ে আসবে। বিছানার চাদর থেকে শুরু করে পাল্টে নিতে পারেন পর্দাও। এতে করে ঘরে স্বস্তির ভাব আসবে।
এবার নিজেকে সাজান পরিবারের জন্য
ঘরে থাকায় যে বৈশাখের সাজসজ্জা ভুলে যাবেন তা কিন্তু নয়। বাইরে যেতে না পারলেও এবার নিজেকে সাজান পরিবারের জন্য। বৈশাখী সাজে সেজে পরিবারের সবার সঙ্গে সময় কাটান। তারপর সবাই মিলে সারাদিন আড্ডা দিন, ছবি তুলুন কিংবা গল্প করুন। চাইলে সবাই মিলে পছন্দের সিনেমাও দেখতে পারেন। বিকেলে ছাদে উঠে চাইলে পিকনিকও করতে পারেন।
ঘরের বড় ও ছোটদের সময় দিন
প্রতিবার পহেলা বৈশাখের দিনটি কাটে বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে। এবার না হয় সেই সময়টুকু কাটুক পরিবারের সঙ্গে। আনন্দের এই উৎসবটি বড় ও ছোটদের সঙ্গে গল্প করে কিংবা খুনসুটি করে দিব্যি কেটে যেতে পারে।
পুরনো পোশাকেই পালন হোক এবারের বৈশাখ
করোনার কারণে যেহেতু মার্কেট বন্ধ, তাই বৈশাখের শপিং করাও সম্ভব হচ্ছে না। তাই বলে বৈশাখ বরণ হবে না তা কিন্তু নয়। লাল-সাদা পোশাকে বৈশাখ বরণ করা না হলেও, গত বছরের পোশাকটিই না হয় এবার গায়ে তুলে নিন।
পাতে সাজুক পছন্দের নানা পদ
ভোজনরসিক বাঙালিদের পহেলা বৈশাখের দিনে খাবারে একটু ভিন্নতা না এলে কি চলে? পান্তা-ইলিশ ছাড়াও, সারাদিন বাহারি মিষ্টির পদ থেকে শুরু করে খিচুড়ির সঙ্গে ভর্তা কিংবা পোলাও-কাচ্চি ইত্যাদি যেকোনো পছন্দের খাবারটি রাখতে পারেন। পরিবারের সবার সঙ্গে মিলে বসে আনন্দের সঙ্গে খাবার খেয়ে দেখুন কতটা প্রশান্তি মিলবে!
অনলাইনে কাছের মানুষদের শুভেচ্ছা জানান
পরিবারের অন্যান্য আত্মীয়স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব যারা দূরে আছেন, তাদেরকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। ফোনে কথা বলুন কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন। দেখবেন মন ফুরফুরে হয়ে গেছে!





Post a Comment