চিনি মাখার উপকারিতা, যা জানলে আপনি এখনই সেটাই করবেন

Odd বাংলা ডেস্ক: চিনি একটি খুব প্রয়োজনিয় খাদ্যদ্রব্য। চিনি আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকে। রান্নায় ব্যবহার করা হয় চিনি। সেখানে নিরামিষ রান্না হোক বা আমিষ রান্না। সব রান্নাতেই বাড়তি স্বাদ আনতে চিনির কোন তুলনা নেই। তবে অতিরিক্ত চিনি খাওয়াও শরীরের পক্ষে খুব ক্ষতিকর। যাদের সুগার আছে তাদের চিনি খাওয়া একদম উচিত নয়। চিনি তাদের কাছে বিষ।

আবার চিনি দাঁতের জন্যেও খুব ক্ষতিকর। অতিরিক্ত চিনি খেলে দাঁত খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু চিনির একটি ভালো দিকও আছে। চিনি ত্বক ও চুলের জন্য খুব উপকারী। চিনি চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ব্রিটেনের এক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বলেন যে শ্যাম্পু তো সবাই করে। কিন্তু তা খুব একটা উপকারী নয়।

শ্যাম্পুতে যদি চিনি মেশানো হয় তাহলে তা খুব উপকারী। এতে চুল হয় ঘন, কালো ও মজবুত। চুল দেখতে লাগে খুব সুন্দর ও সিল্কি। শ্যাম্পুর সাথে মেশালে চুল বেশি পরিষ্কার থাকে। আর চুল পরিষ্কার থাকলে তা দেখতে লাগে ঝলমলে। তার সঙ্গে চুলের আদ্রতা বজায় থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে শ্যম্পুর সাথে যদি চিনি গুঁড়ো করে মিশিয়ে মাথায় ভালো করে ম্যাসাজ করা হয় তাহলে মাথার খুসকির সমস্যা থাকবেনা। শুধু চুলের জন্য নয় চিনি ত্বকের জন্যেও খুব উপকারী। ত্বকে যদি নিয়মিত চিনি ব্যবহার করা হয় তাহলে ত্বকের কালো দাগ ছোপ, চোখের নিচে থাকা কালো দাগ, ওপেন পোর্স এসবের সব সমস্যা দূর হয়।

এটি আপনার ত্বকের একটি ন্যাচারাল স্ক্রাব হিসাবে কাজ করে। এর জন্য আপনাকে নিতে হবে অলিভ অয়েল, লেবুর রস, চিনি। এই তিনটি জিনিস ভালো করে মুখে লাগিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। তারপর সেটিকে কিছুক্ষন মুখে লাগিয়ে রেখে হালকা গরম জলে ধুয়ে ফেলুন।

চিনিতে থাকে গ্লাইকোলিক অ্যাসিড। ত্বক রোদে পুড়ে গেলে সেটার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় গ্লাইকোলিক অ্যাসিড। তাই ত্বক রোদে ক্ষতিগ্রস্থ হলে ত্বকে চিনি ব্যবহার করা যেতে পারে। তাছাড়াও ঠোঁটে দীর্ঘক্ষন লিপ্সটিক ধরে রাক্তে সাহায্য করে চিনি।

তার জন্য আপনি লিপ্সটিক লাগিয়ে একটু চিনি তার উপরে দিন। তার কিছুক্ষন পর চিনি ঝেড়ে ফেলুন। দেখবেন তারপর আপনার লিপ্সটিক দীর্ঘক্ষন আপনার ঠোঁটে রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.