চুলের কোন রঙে আপনাকে সবচেয়ে বেশি মানাবে?
ODD বাংলা ডেস্ক: চুলের রং অনেকের সৌন্দর্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চুলে বিভিন্ন রং করতে পছন্দ করেন এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম য়। কিন্তু কোন ধরনের রং আপনার চুলের সঙ্গে মানাবে সে বিষয়টি অনেকেই বোঝেন না। তাই চুলের সাজসজ্জার আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।
হেয়ার স্টাইলিস্টদের মতে, চুলের রং করতে ইচ্ছা হলেও আগে চুলের স্বাস্থ্যের প্রতি অধিক যত্নশীল ও সচেতন হতে হবে। তাই ক্রুয়েলটি ফ্রি হেয়ার কালারের ওপর জোর দিচ্ছেন তারা। এতে প্রাকৃতিক উদ্ভিজ উপাদান, যেমন- আয়ুর্বেদিক হার্ভস, প্লান্ট এক্সট্র্যাক্ট থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালকালাইন কেমিক্যাল ছাড়াও ইথানোলামাইন, ডাইথানোলামাইন এবং ট্রাইথানোলামাইনের মতো উপজাত উপাদানগুলো যাতে প্রভাব বিস্তার না করে, তা-ও লক্ষ রাখতে হবে। তাদের মতে, স্থায়ী রঙের পরিবর্তে সেমি-পার্মানেন্ট বা আধা-স্থায়ী রং করা ভালো।
এই সেমি-পার্মানেন্ট রংগুলোর যেহেতু দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব থাকে না, তাই কর্টেক্স পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও নেই। এ কারণে এতে অ্যামোনিয়া বা এর উপজাত দ্রব্যেরও প্রয়োজন পড়ে না। আবার সেমি-পার্মানেন্ট হেয়ার কালারের আরেকটি সুবিধা হলো, রং করানোর পর ভালো না লাগলে, তা কয়েকবার ধোয়ার পরেই হালকা হয়ে যাবে। আবার কালো চুলের ব্যক্তিরা যদি শুধু হাইলাইট করাতে চান, তাহলে হালকা শেড ব্যবহার করবেন না। কারণ কালো চুলে হালকা রঙের হাইলাইট করার আগে ব্লিচ করতে হয়, যা চুলের পক্ষে ক্ষতিকর।
আবার সাদা বা ধূসর চুল হলে কালো ডাই দিয়ে তা ঢাকা দিতে পারেন। কালো একটি প্রাকৃতিক রং এবং যেকোনো বর্ণের ব্যক্তির মুখে তা মানানসই। এ ছাড়া গাঢ় বর্ণের ব্যক্তিরা ব্রাউনের নানা শেড, যেমন- গাঢ়, হালকা, সোনালি বা চকোলেট ব্যবহার করতে পারেন।
হেয়ার স্টাইলিস্টদের মতে, ভাইব্রেন্ট ব্যক্তিত্বের অধিকারী ব্যক্তিরা নিজের স্টাইল মতো চুল কালার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে তাদের চিন্তাভাবনা ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানাতে পারেন, এমন অনেক ভাইব্রেন্ট রং আছে। বার্গেন্ডি, মেহগনি, লালচে আভাযুক্ত গাঢ় ব্লন্ড ব্যবহার করা যায়। এটি সব বর্ণের ব্যক্তির মুখে মানাবে। আবার স্টাইল ও সূক্ষ্মতার মিশ্রণ ঘটাতে ইচ্ছুক থাকলে কপার রং ব্যবহার করতে পারেন।





Post a Comment