বিজেপি ছেড়ে সব্যসাচী তৃণমূলে আসতেই ঘাসফুলে শুরু যুদ্ধ! গোঁসা সুজিতদের



Odd বাংলা ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরেই বিজেপিতে থেকেও ছিলেন না সব্যসাচী দত্ত। এমনকি দলের আদর্শের পরিপন্থী বেশ কিছু মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁকে। তখনই খানিকটা স্পষ্ট হয়ে যায় সব্যসাচী হয়তো তৃণমূলে ফিরতে পারেন। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে লক্ষ্মীবারে আবার তৃণমূলে ফিরলেন সব্যসাচী দত্ত। বিগত দিনে ঘরওয়াপসি নেতারা তৃণমূল ভবনে এসে পতাকা তুলে নিলেও এদিন সব্যসাচী বিধানসভায় যোগ দিলেন। 


তবে সব্যসাচীর ঘরওয়াপসিতে মোটেও খুশি নন সুজিত বসু। দুই নেতার সম্পর্ক সর্বজনবিদিত। মেনে নিতে পারছেন না বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়ও।সূত্রের খবর, এদিন তো দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু সাফ জানিয়ে দেন, “যার সঙ্গে রাজনীতি করা যায় না, তার সঙ্গে একই জায়গায় বসতে পারব না।” শুধু তাই নয়, এটা নাকি দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েই দিয়েছেন তিনি। এদিক তাপস চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, যাঁকে নিয়ে এত সমস্যা, তাঁকে যদি বসে যোগদান করাতে হয়, পারব না। দিদিকে জানিয়ে দিয়েছি। তিনি নাকি এও বলেছেন, ‘নোংরা কোনওকিছুতে নেই।” তাঁর কথায়, “এটা নোংরা রাজনীতি। আমি তাতে নেই। ওর রাজনীতি করতে পারব না। দিদিকে বলে দিয়েছি।”


একটা সময় এক দলে থাকলেও সুজিত বসু ও সব্যসাচী দত্তের ব্যক্তিগত সমীকরণ একেবারেই মধুর ছিল না। দুই নেতার ‘বিরোধিতা’ ছিল সুবিদিত। এমনটাও শোনা যায় যে, বিধানসভা ভোটের আগে সুজিতও নাকি বিজেপিতে শামিল হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সব্যসাচী দত্তের তীব্র আপত্তির কারণেই সেটা সম্ভব হয়নি। সুজিতকে বলতে শোনা গিয়েছে, “অশুভ লোকের হাত থেকে সাধারণ মানুষ বিধাননগরকে বাঁচিয়ে দিয়েছে।” সেই রাজারহাট নিউটাউনের প্রাক্তন বিধায়ক ফের তৃণমূলে ফেরায় ক্ষোভ উগরে দিলেন সুজিত বসুরা। এদিন বিধানসভা সব্যসাচীর যোগদানের পরে সেখানে না থেকে ক্ষুব্ধ হয়ে বেরিয়ে যান তাপস, সুজিত।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.