২০০০ বছরের প্রাচীন এই চা নাকি সুস্থতার চাবিকাঠি!

ODD বাংলা ডেস্ক: কোম্বুচা ‘দ্য টি অব ইমমর্টালিটি’ বা ‘চিরশাশ্বত পানীয়’ হিসেবে পরিচিত কোম্বুচা টি-র সঙ্গে জড়িয়ে আছে ২০০০ বছরেরও প্রাচীন ইতিহাস।

জীবনযাপন চর্চায় এখন ট্রেন্ডিং ‘কোম্বুচা’ (Kombucha Tea)৷ নাম শুনলেও এর উপকরণ এবং তৈরির পদ্ধতি নিয়ে এখনও প্রচুর ধোঁয়াশা রয়েছে৷ এটা কি চা, সোডা নাকি ওয়াইন? মূলত কোম্বুচা হল ফার্মেন্টেড ড্রিঙ্ক৷ যা তৈরি হয় কালো বা সবুজ চায়ে চিনি এবং ব্যাকটেরিয়া ও ইস্ট মিশিয়ে৷ প্রোবায়োটিকস থাকার জন্য পরিপাক ক্রিয়া উন্নত করে এই পানীয় (benefits of Kombucha Tea)৷

‘দ্য টি অব ইমমর্টালিটি’ বা ‘চিরশাশ্বত পানীয়’ হিসেবে পরিচিত কোম্বুচা টি-র সঙ্গে জড়িয়ে আছে ২০০০ বছরেরও প্রাচীন ইতিহাস৷ চিনে কিন রাজবংশের শাসনে ২২১ খ্রিস্টপূর্বে প্রথম এই পানীয়ের কথা শোনা যায়৷ সম্ভবত এক জন কোরীয় চিকিৎসকের হাত ধরে এই পানীয় এসেছিল জাপানে৷

জনশ্রুতি, সেই চিকিৎসকের নাম ছিল কোম্বু৷ অনেকে বলেন, তাঁর নাম থেকেই পানীয়ের এহেন নামকরণ৷ আবার অনেকে বলেন, সামুদ্রিক উদ্ভিদ কেল্প-কে জাপানি ভাষায় বলা হয় ‘কোম্বু’৷ তার থেকেই নাকি ‘কোম্বুচা’৷ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পানীয় ঘিরে কাহিনি তৈরি হয়েছে এবং ভেঙেছে৷ তবে রহস্য কোনওদিন পিছু ছাড়েনি এর৷

দেখে নেওয়া যাক কোম্বুচা-র গুণ শরীরে মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার সমাধান করে ইনফ্লেম্যাশন কমায়  প্রতিরোধ করে ক্যানসারের আশঙ্কা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় হতাশা ও বিষাদকে দূরে রাখে মানসিক স্বাস্থ্যে কার্ডিওভাসক্যুলার স্বাস্থ্য মজবুত করে যকৃতের স্বাস্থ্য ভাল রাখে রক্তে শর্করার পরিমাণ হ্রাস করে বাড়তি মেদ এবং ওজন হ্রাস করে

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.