করোনার নয়া স্ট্রেনকে রুখতে কাজ করবে না টিকাও! আশঙ্কা বাড়ছে বিশ্বে


ODD বাংলা ডেস্ক:
বছরের শেষে ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে করোনা-আতঙ্ক! কোভিড-১৯ ভাইরাসের  এক প্রজাতির হদিশ মিলেছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। শুধু নয়া প্রজাতির হদিশ পাওয়া নয়, ইতিমধ্যে নয়া প্রজাতিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সংক্রমণের হার দ্রুত গতিতে বাড়ছে। ফলে করোনা নিয়ে নতুন করে উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও।

দক্ষিণ আফ্রিকার ভাইরোলজিস্ট তুলিও দে অলিভিয়েরা সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, ‘বৈজ্ঞানিক ভাষায় করোনা ভাইরাসের নতুন প্রজাতিটি হল, B1.1.529, যা খুব উচ্চ মিউটেশন ক্ষমতা সম্পন্ন। তাই বিষয়টি সমগ্র দক্ষিণ আফ্রিকায় উদ্বেগ বাড়িয়েছে।’ করোনা ভাইরাসের এই প্রজাতির সংক্রমণে গত কয়েকদিনে দক্ষিণ আফ্রিকায় আক্রান্তের হার অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ইতিমধ্যে করোনার এই নতুন প্রজাতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং শীঘ্রই এই প্রজাতির নাম দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভাইরোলজিস্ট অলিভিয়েরা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি মাসের গোড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকায় দৈনিক করোনা আক্রান্তের গড় সংখ্যা ছিল ১০৬। সেখান থেকে বেড়ে বুধবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ১২০০-এ। যার মধ্যে B1.1.529-তে সংক্রমিত ২২ জন। দেশে ফের করোনা সংক্রমণের হার দ্রুত গতিতে বাড়ছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজেস’ (NICD)। 

বিজ্ঞানীদের মতে, করোনার নতুন প্রজাতি B1.1.529 অনেক বেশি জটিল এবং এর মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর তীব্রতা করোনার ‘ডেল্টা’ এবং ‘বেটা’ ভ্যারিয়ান্টের থেকেও বেশি। তবে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকলে এই ভাইরাসকে ঠেকানো সম্ভব বলেও মনে করছেন তাঁরা। আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং করোনার নতুন-নতুন প্রজাতির মোকাবিলা করতে ভ্যাকসিন জরুরি বলেও বিজ্ঞানীদের দাবি। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আফ্রিকায় ইতিমধ্যে ১৮-ঊর্ধ্ব প্রায় ৪১ শতাংশের করোনা ভ্যাকসিনের একটি ডোজ এবং ৩৫ শতাংশের দুটি ডোজ নেওয়া সম্পূর্ণ। এখন বাকিদেরও দ্রুত ভ্যাকসিন দিতে তৎপর সে দেশের সরকার।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.