গর্জন নয়, বাঘের গলায় মধুর সুর!

 


ODD বাংলা ডেস্ক: বাঘ মামার গর্জন কম বেশি আমরা সবাই শুনেছি। বিশেষ করে যারা সুন্দরবনে ঘুরতে যায় কিংবা যারা সুন্দরবনের আশেপাশে বাস করে তারা। তবে তার গর্জনের বদলে সুরেলা কণ্ঠে গান কখনো শুনেছেন?

ছোট বাঘের ছানা গান গেয়ে  মনোরঞ্জনের কাজটা অনায়াসে করে চলে। ঠিক এমনই এক ঘটনা আলোড়ন ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়! মানুষের প্রকার ভিন্ন। কেউ লম্বা, কেউ খাটো, কেউ মোটা তো কেউ রোগা। কারও কণ্ঠে বিগ বি সুলভ গাম্ভীর্য, কারও অতি চিকন, কেউ গলায় বহন করেন সরস্বতী তো কারও গলা অতীব কর্কশ। তবে এই বৈষম্য যে আর মনুষ্য সমাজে আটকে নেই, তা প্রমাণ হল অবশেষে। 


২০২০ সালের জুন মাসে জন্ম হয় বাঘটির। সাইবেরিয়ার শহর বার্নাউলের একটি সার্কাসের বাঘকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ। আট মাস বয়সী সেই ব্যাঘ্র শাবককে গর্জন করতে এখনও কেউ শোনেনি। তবে তার গলা থেকে মধুর সুর শুনেছেন অনেকেই। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাঘটি ছোট থেকেই ওরকম ডাকে। এখন সেই ডাক আগের থেকে অনেকটাই বেড়েছে। সেই শাবকটির ডাক রেকর্ড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, শাবকটির কণ্ঠ স্বরের গঠন ঠিকঠাক হয়নি। তাই তার গর্জনে সমস্যা হচ্ছে। 


ভিটাস নামের সেই বাঘটিকে দেখতে প্রতিদিন দলে দলে মানুষ আসছেন চিড়িয়াখানায়। তার বাবার নাম শের খান আর মায়ের নাম বাঘিরা। সে তার বাবা মায়ের চতুর্থ সন্তান। বার্নাউলের-এর দ্যা লেসনায়া স্কাযকা চিড়িয়ারখানাতে এখন প্রধান আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভিটাস। চিড়িয়াখানার অনেকে বলছেন, শাবকটি তার মাকে ডাকার সময় অদ্ভুত সুর তোলে। সেই ডাক অনেকটা পাখির কলতানের মতো। আবার কিছুটা বন্য বাঁদরের ডাকের মতোও বটে! তবে কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, সেই ডাকে কোনো যন্ত্রণা নেই। বরং আহ্লাদে আটখানা হয়েই শাবকটি ওরকম ডাকে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.