ফ্যান ছেড়ে ঘুমানো কি স্বাস্থ্যকর?
ODD বাংলা ডেস্ক: গ্রামে বেশ কছুদিন আগেই শীত নেমে এসেছে। শহুরে জীবনেও শীত অনুভব করছেন। গরমও একেবারে শেষ হয়নি। রাতের প্রথম দিকে গরম লাগে, শেষভাগে শীত লাগে। এ সময়ে রাতে অনেকেই পাখা চালিয়ে ঘুমান। কেউ কেউ ঘুমিয়ে যাওয়ার পরেই অতিরিক্ত ঠান্ডা অনুভব করেন। এর ফলে ঠান্ডা জনিত রোগের লক্ষ্মণ দেখা দেবে।
কিন্তু ফ্যান ছেড়ে ঘুমানোটা কি আসলে স্বাস্থ্যকর? অনেকেরই সকালে কাশি হয় বা ঘাড় ব্যথা করে। এর পেছনে দায়ী হতে পারে আপনার ফ্যানটি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যান ছেড়ে ঘুমানোটা খুব ভয়াবহ কিছু নয়। ফ্যানের বাতাসে বিষাক্ত কিছু নেই। ঘরের ভেতরে বাতাস চলাচল করাটা স্বাস্থ্যকরই বটে। এতে ঘুম ভালো হয় এবং ঘাম কম হয়। কিন্তু ফ্যান ছেড়ে ঘুমালে কিছু কিছু মানুষের সমস্যা হতে পারে।
ঘুমানোর সময়ে শরীরের বেশি কাছে ফ্যান নিয়ে ঘুমালে নাক ও মুখ শুকিয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া ফ্যানের কারণে ধুলো উড়তে পারে। এই দুই কারণে যাদের ডাস্ট অ্যালার্জি বা অ্যাজমা আছে, তারা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।
ঘুমানোর সময়ে ফ্যান ছাড়লেও সেটাকে নিরাপদ দূরত্বে রাখুন। ফ্যানের বাতাস সরাসরি আপনার শরীরে না লাগাই ভালো। যাদের অ্যালার্জি বা অ্যাজমা আছে, তারা ছোট একটা এয়ার ফিল্টার রাখতে পারেন ঘরে। এছাড়া নাকে দেওয়ার ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন দৈনিক।
সারা রাত ফ্যান ছেড়ে রাখলে অনেক সময়ে পেশী সংকুচিত হয়। এতে সকালে অনেকের ঘাড় ব্যথা করতে পারে। তবে এ সমস্যাটা মূলত সারা রাত এয়ার কন্ডিশনার ছেড়ে রাখলে বেশি হয়।
ফ্যানের বাতাস অনেকের আবার চামড়া শুষ্ক করে দেয়। যাদের এমন হয়, তারা রাতে ঘুমানোর সময় ময়শ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।
রাতভর ফ্যানের বাতাসে ঘুমালে চোখের কিছুটা সমস্যা হতে পারে, বিশেষ করা যারা লেন্স কিংবা চশমা পরেন। চোখে একটা শুষ্ক ভাব আসতে পারে।





Post a Comment