সাইক্লিংয়ের যত উপকার

 


ODD বাংলা ডেস্ক: পাবলিক ট্রান্সপোর্টের ধকল সম্পর্কে ঢাকায় বাসিন্দাদের বেশ ভালো ধারণা আছে। এ কারণে অনেকেই ব্যবহার করে থাকে মোটরসাইকেল। তবে কিশোর বা তরুণদের পছন্দের শীর্ষে বাইসাইকেল।

পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশের মানুষ বাইসাইকেল ব্যক্তিগত বাহন হিসেবে ব্যবহার করে। আমাদের দেশের অনেকেই আজকাল  বাইসাইকেল ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে।


মানুষ কেন সাইকেল ব্যবহারে ঝুঁকছে, চলুন খুঁজি তার সপক্ষে কিছু যুক্তি।


খরচ নেই বললেই চলে


বাইসাইকেল হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা বাহন। এটি কিনতে আপনাকে খুব বেশি খরচ করতে হবে না। সেই সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণেও তেমন খরচের কিছু নেই। নেই বাড়তি তেল বা মবিলের খরচ। তাই রাস্তায় বের হওয়ার জন্য বাইসাইকেল হতে পারে ব্যয়হীন সঙ্গী।


দূষণমুক্ত বাহন


বাইসাইকেল পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না। সম্পূর্ণ শরীরের শক্তিতে চলে তাই তেল বা কালো ধোঁয়ার কোনো কারবার সাইকেলে নেই। শহরটা ভালো থাকল,আপনিও ভালো থাকলেন।


লাগে না লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন


অনেকেই ড্রাইভিং লাইসেন্স কিংবা গাড়ি রেজিস্ট্রেশনের ঝামেলায় জড়াতে চান না বলে বাইসাইকেল কিনে নেন। কারণ রাস্তায় সার্জেন্ট থামাবার কোনো ভয় নেই। কারণ লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন কোনোটারই দরকার নেই বাইসাইকেলের জন্য। আইন থেকে তাই অনেকটাই মুক্ত এই বাহনটি, সঙ্গে চালকও স্বাধীন।


গ্যারেজের দরকার পড়ে না


গাড়ি বা মোটরসাইকেল রাখতে গেলে গ্যারেজে বড় জায়গার দরকার হয় কিন্তু সাইকেলের এত জায়গা লাগে না। আর তাই গ্যারেজের জন্য বাড়তি খরচও গুনতে হয় না। জায়গা না থাকলে ঘরের ভেতরেই সাইকেল রেখে দেওয়া যায়।


জ্যামে আটকাবেন না


সাইকেল নিয়ে যে কোনো জ্যাম পাড়ি দেওয়া সম্ভব। মোটরসাইকেলকেও মাঝে মাঝে জ্যামে আটকা পড়ে থাকতে হয়। কিন্তু সামনের অবস্থা বেশি বেগতিক দেখলে সাইকেলটাকে কাঁধে উঠিয়ে হেঁটেই পার হওয়া যেতে পারে।


ব্যায়াম


সাইকেল চালালে শরীরের পেশিগুলোর ভালো ব্যায়াম হয়ে যায়। নিয়মিত সাইকেল চালালে আলাদা করে ব্যায়াম করার বা নিয়ম করে হাঁটাহাঁটির দরকার পড়ে না। এক ঘণ্টা সাইকেল চালালে শরীরের ৬০০ ক্যালরি ক্ষয় হয়। ওজন কমানোর জন্য সাইক্লিং খুবই ভালো উপায়।


এছাড়াও ক্যান্সারসহ নানা ধরনের রোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয় সাইকেল। সম্প্রতি গ্লাসগো ইউনিভার্সিটির এক সমীক্ষায় সাইক্লিংয়ের উপকারিতা সম্পর্কে জানানো হয়েছে।


চণুন জেনে নেই সাইক্লিংয়ের সেসব শারীরিক উপকারিতা-


১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২. পা, উরু, কোমর ও নিতম্বের পেশি সুগঠিত হয়।

৩. হাঁটু, গিঁটের ব্যথা নিরাময়ে সহজ ব্যায়াম সাইক্লিং।

৪. রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে, হার্ট ও ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে।

৫. শারীরিক পরিশ্রম হয়। ফলে ওজন কমে।

৬. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৭. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.