যেসব আচরণে মানব-শিম্পাঞ্জির অদ্ভুত মিল!
ODD বাংলা ডেস্ক: সৃষ্টির সবচেয়ে বিচক্ষণ প্রাণী হিসেবে মানবজাতি বিবেচিত। তাদের বিচক্ষণতাই প্রতিষ্ঠিত হয় সামাজিকসহ সবধরণের শৃঙ্খল। আবার তাদের ভুল বিচক্ষণতার খেসারত মারাত্বকভাবে দিতে হয়। মানবজাতির মতো সব ইতিবাচক বা নেতিবাচক বিচক্ষণতা ও আচরণ শিম্পাঞ্জির মধ্যে নেই। তবে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে যে, মানবের অনেক আচরণের সঙ্গে শিম্পাঞ্জির আচরণের অদ্ভুত মিল রয়েছে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেমস টিলের মতে, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব মানবজাতির মতোই শিম্পাঞ্জিদের মধ্যেও দেখা যায়। শিম্পাঞ্জিদের সমাজে রীতিমতো রাজনীতি করে নিজের প্রভুত্ব কায়েম রাখে নেতারা। শিম্পাঞ্জিদের অদ্ভুত আচরণের কিছু উদাহরণ দিয়েছেন অধ্যাপক টিলে।
* দলে ক্ষমতা ধরে রাখতে শত্রুর সঙ্গে মিত্রতা করে শিম্পাঞ্জিরা। এমনকি বন্ধুর সঙ্গ ছাড়তেও পিছপা হয় না। শুধুমাত্র নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য দলবদল করে শিম্পাঞ্জিরা।
* গোষ্ঠীর মধ্যে উপগোষ্ঠী তৈরি করতে নিজের চেয়ে দুর্বল কাউকে বেছে নেয় জন্য শিম্পাঞ্জিরা।ভাগে বেশি খাবার ও প্রজনন সঙ্গী পাওয়ার লোভে একজন দুর্বল শিম্পাঞ্জি তার চেয়ে শক্তিশালী শিম্পাঞ্জিকে জোটে নেয় না।
* ‘দশের লাঠি একের বোঝা’ বিষয়টি ভালোভাবেই বুঝে গেছে শিম্পাঞ্জিরা। দুর্বল শিম্পাঞ্জিরা জোট হয়ে শক্তিশালী শিম্পাঞ্জিকে আক্রমণ করছে। ছোট ছোট শক্তি একত্রিত হলে শক্তিশালী শত্রুও হার মানানোর বুদ্ধি তারা রপ্ত করে ফেলেছে।
* মানবের মতোই দলে নেতার প্রয়োজন পড়ে। অনেক সময় নেতৃত্ব জানান দিতে দলে ইচ্ছে করে ঝগড়া লাগানো হয়। সেই ঝগড়া আবার নিবৃত করে দলের নেতা।





Post a Comment