ওজন বাড়াতেও প্রতিদিন কিছু ব্যায়াম করুন



 ODD বাংলা ডেস্ক: বর্তমান বিশ্বে স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যার মধ্যে ওজনাধিক্য অন্যতম। ওজন কমানো নিয়ে যেমন অনেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন, পাশাপাশি কম ওজনের কারণেও অনেকে ভুগছেন নানা স্বাস্থ্য জটিলতায়


কম ওজনে যেসব জটিলতা


বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী দেহের আদর্শ ওজন থাকে। যদি কারো ওজন অতিরিক্ত কম থাকে, তবে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ে সমস্যা, ঘন ঘন অসুস্থতা, রক্তস্বল্পতা, চুল-দাঁত দুর্বল হওয়া, অনিয়মিত মাসিক, ক্লান্তি, অপরিণত শিশু জন্মদান ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। এ জন্য সঠিক ওজন বজায় রাখা খুব জরুরি।


বিজ্ঞাপন


করণীয়


পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ : সামুদ্রিক মাছ, চর্বিহীন দুধ, চর্বিহীন মাংস, খোসাসহ শস্য, ডিম, বাদাম, বিচি ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখুন এবং এই খাবারগুলো ২-৩ বার পরিবেশন করুন।


সীমাবদ্ধ খাদ্য তালিকা নয় : যে খাদ্য তালিকায় নির্দিষ্ট পুস্টি উপাদান বাদ দেওয়া হয়, সে ধরনের খাদ্য তালিকা এড়িয়ে চলুন। চেষ্টা করুন সব ধরনের পুষ্টি উপাদান রেখে খাবার গ্রহণ করতে।


চর্বিহীন পেশি বাড়ান : ওজন বাড়াতে চর্বিহীন পেশি বাড়ানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে ব্যায়াম, ভারোত্তোলন, কার্ডিওটাইপ ব্যায়াম সাহায্য করতে পারে।


ক্ষুধা নিয়ন্ত্রক হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখুন : লেপটিন, ইনসুলিন, ঘেরলিন, পেপটাইড—এই হরমোনগুলো ক্ষুুধা নিয়ন্ত্রণ করে। লেপটিন ক্ষুধা কমায়, ঘেরলিন ক্ষুধা বাড়ায়। তাই যাঁরা ওজন বাড়াতে চান, তাঁরা অবশ্যই এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন।


যেসব ব্যায়াম করবেন :  কার্ডিও, স্কোয়াট, লাঞ্জেস, জাম্পিং, ভারোত্তোলন, দেহের ওপরাংশের ব্যায়াম বিশেষ করে পেটের ব্যায়ামগুলো করুন।


খেয়াল করুন


* দিনে অন্তত ছয় থেকে আটবার খাবার খাবেন।


* প্রতিদিন এক ঘণ্টা ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। ব্যায়ামের সঠিক সময় সকালের নাশতার দুই ঘণ্টা পর হলে ভালো হয়।


* ভারোত্তোলন দুই কেজি থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ান।


* পর্যাপ্ত সুপেয় জল পান করুন, যেন অন্ত্র পরিষ্কার থাকে। স্বাস্থ্যসম্মত ওজন বজায় রাখতে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।


* উচ্চ মাত্রার আঁশযুক্ত খাবার যেমন খোসাসহ ফল, সবজি, ডাল ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখুন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.