ইংরেজিতে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী চোর দেখে চক্ষু চড়ক গাছ পুলিশের

Odd বাংলা ডেস্ক: ঘাটালের কোন্নগর এলাকার একটি আবাসনে মহাশ্বেতা দে নামে এক বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মী থাকেন। গত ৩ জানুয়ারি তাঁর আবাসনের গেটের তালা ভেঙে লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না চুরি হয়। সেই চুরির ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থেকে ঘাটাল থানার ওসি দেবাংশু ভৌমিক -এর নেতৃত্বে পুলিশ গিয়ে পাকড়াও করে চোরকে। সেই চোর পরিচয় দেখে চোখ কপালে পুলিশের। ইংরেজিতে মাস্টার্স করা চোরের নাম সৌমাল্য চৌধুরীকে। ধৃতকে সোমবার ঘাটাল আদালতে তোলা হলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। একাধিক চুরির অভিযোগ রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে।

এই প্রসঙ্গে ঘাটালের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক অগ্নিশ্বর চৌধুরী বলেন, ‘এমন অদ্ভুত শখ বা পেশা বেছে নেওয়া দেখে আমি তো অবাক। ইংরেজিতে মাস্টার ডিগ্রি করেছেন উনি। গত বছর হাওড়ায় এক চুরির ঘটনায় ধরা পড়ার পর তাঁর চাকরি চলে যায়। ভদ্র পরিবারের ছেলে। ছেলে চোর হয়েছে জেনে মা আত্মহত্যা করেছেন। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’

সূত্রের খবর, অত্যন্ত সচ্ছল পরিবারে জন্ম। বাবা পূর্ত দফতরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। বাড়ির একমাত্র সন্তান সৌমাল্যও আসানসোলেই থাকতেন। ইংরেজিতে মাস্টার্স করার পর বাবা ছেলের জন্য খড়্গপুরে রেলের একটি অস্থায়ী কাজও জুটিয়ে দেন বলে খবর। পুলিশি জিজ্ঞসাবাদে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সৈমাল্য সাফ জানান, চাকরি তাঁর ভাল লাগছিল না। তাঁর স্বপ্ন চোর হবেন! চুরিকে পেশা করবেন। তাই আসানসোলে বাড়ির উল্টো দিকের এক ফুল দোকানির কাছে চুরির শিক্ষা নেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.