মাত্র ১১ বছরে প্রথম গানে সুর, গিনেস রেকর্ডে নাম!

Odd বাংলা ডেস্ক: বাবা-মায়ের দেওয়া নাম অলোকেশ লাহিড়ি। ১৯৫২ সালে জন্ম জলপাইগুড়ি জেলায়। ডাক নাম ছিল বাপি। রেখেছিলেন এক আত্মীয়া। কে জানত, একদিন এই নামেই গোটা বিশ্ব কাঁপাবেন আরব সাগরের পার থেকে। বাড়িতে সঙ্গীতের চর্চা ছিল বরাবরই। বাবা অপরেশ লাহিড়ি আর মা বাঁশুড়ি লাহিড়ী দুজনেই বাংলা সঙ্গীত জগতে ছিলেন পরিচিত নাম। তাই বাপ্পি লাহিড়ীর গানের হাতেখড়ি হয় পরিবারেই। চোখে সোনালি স্বপ্ন নিয়ে মাত্র ১৯ বছর বয়সে মুম্বই পাড়ি দেন গায়ক। ইচ্ছে ছিল টিনসেল টাউনে একদিন সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়া। ১৯৭৩ সালে হিন্দী ভাষায় নির্মিত নানহা শিকারী ছবিতে তিনি প্রথম গান রচনা করেন। 

এরপর তাহির হুসেনের জখমী (১৯৭৫) চলচ্চিত্রে কাজ করেন। মাত্র ১১ বছর বয়সে নাকি প্রথম গানের সুর দিয়েছিলেন তিনি। অসম্ভব দ্রুতগতিতে সব কিছু ধরে নেওয়ার ক্ষমতা তাঁর। বাংলা ছবি দাদুতে ১৯৭২ সালে সুর দেন। কিন্তু মন টেঁকেনি শহরে। মায়ানগরীর হাতছানি দিচ্ছিল তাঁকে। ছেলের কারণে, বাবা-মাও চলে গিয়েছিলেন বম্বেতে। কথায় বলে বাঙালি নাকি কাঁকড়ার জাত। সত্যি কি তাই? বাপ্পিকে মুম্বইয়ে প্রথম ব্রেক কিন্তু দিয়েছিলেন এক বাঙালি পরিচালকই। তিনি শমু মুখোপাধ্যায়। নানহা শিকারির পরিচালক ছিলেন কাজলের বাবা, তনুজার স্বামী শমু মুখোপাধ্যায়।  

সাল ১৯৭৪। সে সময় রাহুল দেব বর্মণ ভীষণ ব্যস্ত। তাঁর ডেট পাওয়াই কষ্টকর হয়ে দাঁড়াচ্ছে প্রযোজকদের কাছে। প্রযোজক হুসেনের ছবি মদহোসে গানের সুর দিলেন আর ডি বর্মণ। কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক করার সময় ছিল না তাঁর কাছে। অফার যায় বাপ্পি লাহিড়ীর কাছে। তিনি তখন একেবারে আনকোরা।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.