স্বরাকে ‘ভারতীয় মিয়া খলিফা’ বলে ট্রোল নেটিজেনদের, হিজাব বিতর্কের সঙ্গে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের তুলনা!

 


ODD বাংলা ডেস্ক: বিতর্কিত মন্তব‍্যের জন‍্য প্রায়দিনই সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন স্বরা ভাস্কর (Swara Bhaskar)। বেশিরভাগ সময়ই রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে মতামত রাখার জন‍্য ট্রোলড হন অভিনেত্রী। বরাবর কেন্দ্র বিরোধী মতাদর্শ দেখা গিয়েছে স্বরার। এবার হিজাব বিতর্ক (Hijab Controversy) নিয়ে মুখ খুলে সমালোচিত হয়েছেন তিনি। কর্ণাটকের হিজাব বিতর্ককে তিনি দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের সঙ্গে তুলনা করেছেন।


বিতর্কিত টুইটে স্বরা লেখেন, ‘মহাভারতে জোরজবরদস্তি দ্রৌপদীর বস্ত্র হরণ করা হয়েছিল। আর সভায় বসে থাকা দায়িত্ববান, শক্তিধর, কানুন ধারীরা দেখলো। আজ এমনটাই মনে পড়ল।’ স্বরার টুইটটি ব‍্যাপক ভাইরাল হয়েছে। তেমনি কুৎসিত সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে।


একজন লিখেছেন, ‘দ্রৌপদীর বস্ত্র তো জোর করে হরণ করা হয়েছিল। আর আপনি এমনি এমনিই খুলে ফেলেছেন? আজ এমনিই আমার মিয়া খলিফার ভারতীয় রূপের কথা মনে পড়ে গেল।’ আরেকজন কটাক্ষ করেছেন, দ্রৌপদী হিজাব পরতেন না। মহাভারতের মতো ঐতিহাসিক কাব‍্যের চরিত্রগুলির নাম স্বরা নিজের মুখে উচ্চারণ না করাই ভাল, এমনটাও লিখেছেন একজন। আরেকজন আবার প্রশ্ন করেছেন, টুইটটির বদলে কত টাকা পেয়েছেন স্বরা?


অবশ‍্য হিজাব বিতর্ক নিয়ে এই প্রথম না। এর আগেও মুখ খুলেছিলেন স্বরা। হিজাব পরিহিত একজন মুসলিম ছাত্রীর পেছনে কয়েকজন হিন্দু পড়ুয়ার ধর্মীয় স্লোগান দেওয়ার ভিডিও শেয়ার করে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। হিন্দু পড়ুয়াদের ‘নেকড়ে’ বলেও কটাক্ষ করেছিলেন অভিনেত্রী।


প্রসঙ্গত, উদুপির একটি কলেজ থেকে প্রথমে শুরু হয়েছিল হিজাব বিতর্ক। কলেজে কয়েকজন মুসলিম পড়ুয়াকে বলা হয়, হিজাব খুলে আসতে নয়তো ক্লাসরুম ছেড়ে বেরিয়ে যেতে। পড়ুয়ারা হিজাব খুলতে অস্বীকার করলে তাদের ক্লাস ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বাধ‍্য করা হয়। এরপরেই শুরু হয় বিক্ষোভ।


এর মাঝে সোশ‍্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওর জেরে বিক্ষোভের আগুন চড়চড়িয়ে বেড়েছে। ভিডিওটি কর্ণাটকের এক কলেজের। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একদল হিন্দুত্ববাদী যুবক জোর গলায় ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিচ্ছে। পালটা ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দেন বোরখা পরা এক তরুণী। ভিডিওটি বিভিন্ন মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.