হাড় ক্ষয় এড়াতে সচেতন হতে হবে কম বয়সেই

 


ODD বাংলা ডেস্ক: বয়স বাড়তে থাকার এক পর্যায়ে অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি নারীর বেলাতে বেশিই থাকে।


বোনহেলথঅ্যান্ডওস্টিওপোরোসিস ডটওআরজি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্তদের মধ্যে ৮০ শতাংশই নারী।


পঞ্চাশোর্ধ নারীর বেলায় প্রতি দুই জনে একজন হাড় ভাঙ্গা সমস্যায় ভোগেন এই অস্টিওপোরোসিস থেকেই।


নারীর বেলায় এই রোগের ঝুঁকি বেশি কেন?


নারীর হাড় পুরুষের চেয়ে ছোট ও সরু হয়। সাধারণত ইস্ট্রোজেন হরমোন নারীর হাড়কে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু মেনোপজের পর এই হরমোন খুব দ্রুত কমে আসতে থাকে; আর তখনই হাড় ক্ষয় বাড়তে শুরু করে।


বয়সীদের এই রোগ হলেও ২০, ৩০ এবং ৪০ বছর বয়সেও নারী অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্ত হতে পারেন।


তরুণীদের মধ্যে যাদের হাড়ের ঘনত্ব কম, তাদের পরে অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি খুব বেশি।


করণীয় কী?


মেনোপজ হওয়ার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাড়ের ঘনত্ব, হাড়ে খনিজের পরিমাণ পরীক্ষা করে দেখতে হবে।


গর্ভবতী নারীকে অবশ্যই তার সন্তানের সুগঠিত হাড়ের জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি খেতে হবে।


ভালো খাবারের পাশাপাশি মজবুত হাড়ের জন্য নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই।


চিকিৎসকরা বলছেন, সুস্থ জীবন যাপন ও অভ্যাস হাড়কেও সুস্থ রাখে এবং বয়স হলে অস্টিওপোরোসিস হওয়া ঠেকায়।


নারীর হাড় পুরুষের চেয়ে ছোট ও সরু হয়। সাধারণত ইস্ট্রোজেন হরমোন নারীর হাড়কে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু মেনোপজের পর এই হরমোন খুব দ্রুত কমে আসতে থাকে; আর তখনই হাড় ক্ষয় বাড়তে শুরু করে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.