সব ফুল শুকিয়ে ঝরে পড়ার আগেই জমিয়ে খান সজনেফুল-সরষে

 


ODD বাংলা ডেস্ক: গরম পড়তে শুরু করেছে। বসন্ত এবার বিদায়ী। এই সময়ে সজনেডাঁটা ও সজনেফুল খুবই জরুরি একটা খাদ্য। ডাঁটা হয়তো আরও কিছুদিন মিলবে। কিন্তু সজনেফুল আর কিছুদিন পরে পাওয়া যাবে না। ফলে সব ফুল শুকিয়ে ঝরে পড়ার আগেই খান সজনে ফুলের নানা পদ। এই ফুল স্বাদে ভালো। এই ফুলের পদ শরীরে এনে দেয় জরুরি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও। সিজন চেঞ্জের সময়ে এই ফুল শরীরের দিক থেকে খুবই উপকারী।   


সজনে ফুল অনেক ভাবেই খাওয়া যায়। সজনে ফুলের পোস্ত বেশ পরিচিত এক পদ। নানা রকম সবজি সেদ্ধ করে খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে তাতেও ব্যবহার করা যায় এই ফুল। খেতে পারেন সজনে ফুলের ঝাল বা সজনে-সরষে। এখানে রইল সজনে-সরষের রেসিপি। 


সজনে-সরষে: 


কী কী লাগবে? 


সজনে ফুল ১০০ গ্রাম, কড়াইশুঁটি ১ কাপ, আলু ২টি, টমেটো ১টি, কাঁচালঙ্কা ৩টি, আদা বাটা আধ চামচ, সর্ষে বাটা ১ চামচ, হলুদ গুঁড়ো আধ চা-চামচ, সর্ষের তেল ৪ চা-চামচ, পাঁচ ফোড়ন আধ চা-চামচ, নুন ও চিনি স্বাদমতো


প্রণালী:


প্রথমে সজনে ফুলগুলি ভাল করে বেছে নিতে হবে। বাছা ফুলগুলি গরম জলে ডুবিয়ে রাখতে হবে। পরে জল থেকে ছেঁকে সেগুলি বার করতে হবে। কড়ায় তেল গরম করে তাতে পাঁচফোড়ন ও কাঁচালঙ্কা ফোড়ন দিন। আলুর টুকরো দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। আলুগুলি ভাল করে ভাজা হয়ে গেলে তাতে আদাবাটা, টমেটো কুচি ও মটরশুঁটি দিয়ে দিন। এ বার স্বাদমতো নুন, চিনি ও হলুদ গুঁড়ো দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। হলুদের গন্ধ চলে গেলে তাতে আগে থেকে গরম জলে ধুয়ে রাখা সজনে ফুলগুলি ভাল করে মিশিয়ে নিন। সমস্ত সব্জি ভাল করে কষা হয়ে গেলে সামান্য জলের ছিটে দিয়ে ঢেকে রাখুন। মিনিট পাঁচেক পর ঢাকা খুলে উপরে সর্ষেবাটা ছড়িয়ে দিন। এবং সেটা ভাল করে মিশিয়ে নিন। তার পরে সর্ষের তেল ছড়িয়ে গ্যাসের আঁচ বন্ধ করে দিন। গরম ভাতের সঙ্গে দারুণ এই পদ।


ব্যস! তা হলে আর দেরি কীসের? আগামি কালই বাজারে গিয়ে খোঁজ করুন টাটকা তাজা সজনে ফুলের। আর বাড়ি এনে রেঁধে খান উপাদেয় সব পদ।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.