শোয়ার ধরন ভুল হওয়ায় ক্ষতি হতে পারে ত্বকেরও! জেনে নিন বিশেষজ্ঞর মত
ODD বাংলা ডেস্ক: নিয়ম মেনে এত চর্চা করেও, দামী প্রোডাক্ট ব্যবহার করেও কেন ত্বক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল থাকে না, ভেবেছেন কখনও! কারণটা ভুল শোয়ার ধরনও হতে পারে, জানেন কি? নিটোল ত্বকের রহস্য ঠিকমতো বিশ্রাম, ঘুমের মধ্যেই লুকিয়ে। ডাক্তাররা বলেন দিনে অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুম শরীর যেমন সুস্থ রাখে, তেমনই ত্বকেরও সজীবতা বজায় রাখে। সেলেব্রিটি ডার্মাটোলজিস্ট ডঃ কিরন লোহিয়া জানিয়েছেন, শুধু ৮ ঘণ্টা ঘুমালেই হবে না, ত্বক টানটান সুন্দর থাকবে ঠিকভাবে শুলে। অনেকের শোয়ার ধরণ ভীষণ খারাপ। তাতে শুধু ত্বক না, শরীরেরও ক্ষতি হয়।
অনেকেই আছেন যাঁরা পাশ ফিরে ঘুমান, পেটের উপর চাপ দিয়ে। ফলে বালিশের উপর মুখের চাপ পড়ে। যার কারণে বালিশের উপর লেগে থাকা ধুলোময়লা মুখের একপাশে লেগে যায়। ফলে ব্রণর সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর জন্য নিয়মিত বালিশের কভার পরিষ্কার করে বদলানো উচিত।
আবার অনেকেই আছেন, যাঁরা উপুড় হয়ে ঘুমোন। এটা সবথেকে ক্ষতিকর শোয়ার ধরন। যখন ঘুমান, তখন আপনার ত্বকও শ্বাস নেয়। উপুড় হয়ে শুলে মুখ চেপে থাকে বালিশের উপর। এর ফলে ধুলো, ময়লা তো মুখে লেগেই যায়। অন্যদিকে চোখের উপর চাপ পড়ে। তাই চোখের তলা ফুলে যায়। ৮ ঘণ্টা টানা এভাবে মুখের উপর চাপ পড়ার কারণে কম বয়সেই মুখে বলিরেখা পড়ে যায়।
আবার অনেকে একপাশে ফিরেই সারারাত ঘুমান। এটাও ঠিক না। কারণ এর ফলে মুখের একপাশেই বেশি চাপ পড়ে। একদিকেই ব্রণ হয়। আবার সেইপাশের পেশির উপর বেশি চাপ পড়ে বলে, মুখ ফুলে যায়, বলিরেখা দেখা যায়। আবার কোনও ক্রিম, তেল মেখে ঘুমালে সেটা পুরোটাই বালিশে লেগে যায়। ফলে ঠিকমতো কাজ করে না।
কিরন লোহিয়া পরামর্শ দিয়েছেন, সোজা হয়ে শোয়াই হল ঘুমানোর আসল পদ্ধতি। এর ফলে শরীর সুস্থ থাকে। একইসঙ্গে ত্বকও শ্বাস নিতে পারে। মুখে ক্রিম, ময়শ্চারাইজার লাগালে সেটাও সারারাত ভাল ভাবে কাজ করে। ফলে বলিরেখা, ব্রণ, ব্রেকআউটসের সমস্যা দেখা যায় না। এমনকি চোখের তলায় কালি পড়ে না, ফুলেও ওঠে না। তাই ত্বক উজ্জ্বল, নিটোল রাখতে বিছানায় পিঠ রেখে সোজা হয়েই ঘুমান।





Post a Comment