যে ১০টি সবজিকে বলা হয় পুষ্টির পাওয়ারহাউজ

 


ODD বাংলা ডেস্ক: ছোটবেলা থেকেই শাকসবজি খাওযার ব্যাপারে সবারই এক তীব্র অনীহা কাজ করে সবার মধ্যেই। প্রায় এক প্রকার জোর করেই সবাই শাকসবজি খেয়ে থাকেন। ৯০ শতাংশ মানুষ মনে করেন পুষ্টিগুণ হোক বা শক্তিবর্ধক, শাকসবজির থেকে বেশি উপকারি মাছ মাংস। কিন্ত এই ধারণা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। আমাদের হাতের কাছে দৈনন্দিন জীবনে এমন ১০টা সবজি পাওয়া যায় যা কোনও অংশে মাছ মাংস ডিমের থেকে কম নয়।


১. ঢ্যাঁরস। ঢ্যাঁরস এ খুব কম পরিমাণে সোডিয়াম থাকে এবং কোলেস্ট্যারল লেভেলও জিরো। প্রতি ১০০ গ্রাম ঢ্যাঁরসে ৩০ ক্যালোরি পাওয়া যায় এবং এর ফাইবার ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুব উপকারী।


২. ফুলকপি। ব্রকোলি বংশজাত বলা হল ফুলকপিকে। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে ফুলকপি খুবই উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপিতে ২৬ ক্যালোরি পাওয়া যায়।


৩. করলা। ছোটোবেলা থেকে প্রত্যেকেই এই সবজিটি খাওয়ার ব্যাপারে চুড়ান্ত অনীহা প্রকাশ করে থাকেন। কিন্তু প্রতি ১০০ গ্রাম করলায় ১৭ ক্যালোরি থাকে। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুব উপকারী করলা। হজমের সমস্যাতেও জুড়ি মেলা ভার।


৪. বিনস্। প্রতি ১০০ গ্রাম বিনস্-এ ২৬ ক্যালোরি থাকে। ব্লাড সুগার কোলেস্ট্যারল-এর লেভেল ঠিক রাখার জন্য বিনস্ খুবই উপকারী।


৫. বাঁধাকপি। ফুলকপির মতোই বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে বাঁধাকপি উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপিতে ২৫ ক্যালোরি থাকে।


৬. চিচিংগা। চিচিংগা নানাধরনের শারীরিক সমস্যা দূর করে থাকে। সুগার লেভেলকে কল্ট্রোল করে। এ ছাড়াও হজম এর কাজে এই সবজি পরম উপাদেয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করাতেও চিচিংগার জুড়ি মেলা ভার।


৭. পালং। প্রতি ১০০ গ্রাম পালং শাকে ২৩ ক্যালরি থাকে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, এ, বি, সি এবং আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম ও কপার।


৮. মেথি শাক। মেথি শাক শাক ব্লাড প্রেশার ও সুগারকে নিয়ন্ত্রণ করতে উপকারী।


৯. বেগুন। বেগুনে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে যা ব্লাড সুগার, কোলেস্ট্যারলকে কন্ট্রোল করে। এছাড়াও ক্যান্সার মোকাবিলায় বেগুন খুবই উপকারি। মস্তিষ্ক সতেজ জুড়ি মেলা ভার।


১০. কুমড়ো। এক কাপ কুমড়োর রস আপনার এক সপ্তাহের ভিটামিন এ-র প্রয়োজনীয়তা মেটাতে পারে। ত্বক সতেজ রাখতেও কুমড়ো উপকারী।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.