কাটা আঙুল দেখে মা বুঝতে পারেন সন্তানকেই খেয়ে ফেলেছেন!
ODD বাংলা ডেস্ক: ভারতের দীর্ঘতম জলপ্রপাত নোহখালিকাই অবস্থিত মেঘালয় চেরাপুঞ্জিতে। এই দীপপুঞ্জ নিয়ে এক কিংবদন্তি জানা যায়। যা হৃদয়বিদারক এবং ভয়ংকর। জলপ্রপাতটির উচ্চতা ১,১১৫ ফুট। পাহাড়ের গা বেয়ে প্রবাহমান এই জলপ্রপাতের যেখানে এসে সমতলে পড়েছে সেই স্থানে একটি সবুজ রঙের জলাশয় সৃষ্টি হয়েছে। এর চারপাশে সবুজ বনভূমি এবং মেঘলা পরিবেশ। বৃষ্টির কারণে সারা বছর এখানে জলে পরিপূর্ণ থাকে।
জলপ্রপাতের সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আর এই জলপ্রপাতের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একটি ভয়ঙ্কর কাহিনি। জলপ্রপাতের কাছে অবস্থিত রংজ্যেরতে গ্রামে লিকাই নামে একজন সুন্দরী যুবতি বিধবা নারীর বসবাস। তার একটি ছোটো মেয়ে শিশু ছিল। তিনি খুব অল্প বয়সে বিধবা হয়েছিলেন, তাই সময় গ্রামের অন্যান্য নারীরা তাকে আবার বিয়ে করার পরামর্শ দেন। কিন্তু এই নারীর যার সঙ্গে বিয়ে হয় সে অত্যন্ত ভয়নক। একদিন কাজ থেকে ফিরে এই নারী ঘরে ঢুকতেই দেখেন তার স্বামী মাংস রান্না করেছেন। স্ত্রীকে সে মাংস খেতে দেয়। বেশ কিছুক্ষণ পরে লিকাইয়ের খেয়াল হয় যে তার সন্তানটি ঘরে নেই।
প্রথমে ভাবেন বাচ্চাটি হয়তো পাড়ায় খেলতে গেছে। খাবার খেয়ে আবার কাজে বের হন তিনি। জঙ্গলে গিয়ে একটি ছোটো শিশুর কাটা আঙুল দেখতে পান। অনেক সময় কেটে গেলেও শিশুটিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। কাটা আঙুল দেখে লিকাই বুঝতে পারেন যে নিজের সন্তানকেই তিনি খেয়ে ফেলেছেন। বুঝতে পেরেই লিকাই ঝর্ণার কিনারায় পৌঁছে আত্মহত্যা করেন। আর এই ঘটনার পর থেকে এই জলপ্রপাতের নাম হয় নোহখালিকাই।






Post a Comment