এই কাজের পর জল পান করা বিষ গ্রহণের সমান! জানুন কী বলছেন চাণক্য

 


ODD বাংলা ডেস্ক: রাজনীতি ও অর্থশাস্ত্র ছাড়াও আয়ুর্বেদের গ্রন্থ লিখেছেন আচার্য চাণক্য। আচার্য চাণক্যের নীতি অবলম্বন করে ব্যক্তি নিজের সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারে। তিনি শুধু সাফল্যের মন্ত্র যে দিয়েছেন, তা নয়। বরং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্যও নানান পরামর্শ দিয়েছেন। জল খাওয়ার সময়ে আমরা কিছু ভুল করে থাকি। আচার্য চাণক্যের মতে এই ভুল করা থেকে বিরত থাকা উচিত। তা না-হলে এই ভুল ব্যক্তির স্বাস্থ্যে খারাপ প্রভাব বিস্তার করবে। এ ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ে মাথায় রাখবেন জানুন।


একটি শ্লোকে জল পানের নিয়ম উল্লেখ করেছেন আচার্য চাণক্য


অজীর্ণ ভেষজং বারি জীর্ণে বারি বলপ্রদম।

ভোজনে চামৃতং বারি ভোজনান্তে বিষপ্রদম্।।


অর্থাৎ অপচের সময়ে জল পান করা ওষুধের কাজ করে। খাবার হজম হওয়ার পর জল পান করলে শরীর শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। খাবারের মাঝখানে যে জলপান করা হয় তা অমৃতের কাজ করে। তবে খাবার খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে জল পান করা বিষের সমান।


আচার্য চাণক্য এই শ্লোকের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে বদহজমের সমস্যা রয়েছে যে ব্যক্তির, তাঁদের ক্ষেত্রে এই জল ওষুধের মতো কাজ করে। এ ছাড়াও খাবার খাওয়ার সময়ে মাঝেমধ্যে অল্প অল্প জল পান করতে পারেন। এর ফলে লাভ হবে। এ ছাড়াও খাবার হজম হওয়ার আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পর ইচ্ছামতো জল পান করুন। এর ফলে আপনারা শারীরিক বল পাবেন। কিন্তু খাদ্য গ্রহণের পর সঙ্গে সঙ্গে ভুলেও জল পান করবেন না। এমন করলে স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব পড়বে। নানান রোগের শিকার হতে পারে ব্যক্তি।


কখন জল পান করা শ্রেয়?


আচার্য চাণক্য অনুযায়ী খাবার খাওয়ার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পর জল পান করা ভালো। এর ফলে শরীর প্রাণ শক্তিকে ভরে যায় এবং পাচন তন্ত্র ভালো থাকে।


আবার সুস্থ থাকার জন্য কোন কোন খাদ্য গ্রহণ জরুরি, তা-ও চাণক্য জানিয়েছেন, একটি শ্লোকে তিনি লিখেছেন--


অন্নাদ্দশগুণং পিষ্টং পিষ্টাদ্দশগুণং পয়ঃ

পয়সোষ্টগুণং মাংসং মাংসাদ্দশগুণং ঘৃতম্


চাণক্য মতে সুস্থ থাকার জন্য ব্যক্তির অন্নগ্রহণ জরুরি। এর ফলে ব্যক্তি শক্তি অর্জন করে এবং তাঁদের হজম শক্তি মজবুত হয়। দুধ সেবন করলে ব্যক্তি দশ গুণ অধিক শক্তিশালী হয়। ঘি খেলে ব্যক্তি সুস্থ থাকে এবং সমস্ত রোগ থেকে দূরে থাকে

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.