উত্তর থেকে দক্ষিণ, তেলেভাজার দোকান পেঁয়াজিহীন


Odd বাংলা ডেস্ক: পেঁয়াজের দর আগুন। তাই শহরের বুকে বিক্রি বন্ধ পেঁয়াজি। শহরের বিভিন্ন রেল স্টেশন, বাসস্ট্যান্ডের কাছে সন্ধ্যায় প্রবীণদের আড্ডা বসে। সঙ্গে চপ-মুড়ি-পেঁয়াজি। এখন পকোড়া বা ফুলুরি পেঁয়াজির জায়গা নিয়েছে। কিন্তু তাতে মন উঠছে না কারও।  ফাঁপরে পড়েছেন তেলেভাজার দোকানিরাও। সুতাহাটার সবজি বিক্রেতা অক্ষয় দাসের বক্তব্য, গত মঙ্গলবার সকালে দোকান খুলে তিনি দেখেন, মালপত্র সব ছত্রখান, ওলটপালট তরিতরকারি। যথাস্থানে নেই ক্যাশবাক্সও। কিন্তু একটি পয়সাও খোয়া যায়নি। কী খোয়া গেছে জানেন? দোকানে যে ক’টা পেঁয়াজের বস্তা ছিল, প্রায় সব! আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার পেঁয়াজ উধাও হয়েছে অক্ষয়বাবুর দোকান থেকে, সঙ্গে কিছু আদা-রসুনও।

হাসির কথা বা ভুয়ো খবর ভাবছেন? বা হোয়াটসঅ্যাপ জোক? একেবারেই ভুয়ো নয়, রীতিমত সংবাদ সংস্থার যাচাই করা খবর। তবে হোয়াটসঅ্যাপ জোক বলতে মনে পড়ল, কিছুদিন ধরে একটি তিন লাইনের জোক ঘুরছে সর্বত্র, নিশ্চয়ই নজরে পড়েছে অনেকেরই। দুই বান্ধবীর কথোপকথন, তার সারমর্ম এই – “‘ছেলেটা খুব বড়লোক মনে হয়’; ‘কী করে বুঝলি?’ ‘মুখে পেঁয়াজের গন্ধ পেলাম’।” কলকাতায় ডেকার্স লেনে নাকি স্যালাডে পেঁয়াজ দেওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে। 

বাঙালির আড্ডা এখন খুবই অসম্পুর্ন। কারন  বাজারে নেই পেঁয়াজ। আর তাই ভাজা হচ্ছে না পেঁয়াজি। অবস্থা এমনই যে যাঁরা অল্প-আধটু পেঁয়াজি বানাচ্ছেন তাঁরা পেঁয়াজের বদলে দিচ্ছেন বাধাকপি। কিন্তু যদি বাধাকপি খেতে হয় তাহলে বাধাকপির বরা খাবো, পেঁয়াজি কেন খাবো? এই পেঁয়াজ কান্ড যে কবে শেষ হবে সেই নিয়ে চলছে এখন জল্পনা। অনেকেই বলছেন পেঁয়াজ আসলে বাজারেই আছে। কিন্তু কালোবাজারি করে এই অবস্থা করা হচ্ছে।  
Blogger দ্বারা পরিচালিত.