৩মে-র পর লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কী বললেন, জেনে নিন
Odd বাংলা ডেস্ক: দ্বিতীয় দফা লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩ মে। তারপর লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে আজ একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একঝলকে দেখে নিন কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে কী বক্তব্য পেশ করলেন।
১) মেঘালয়ার মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা জানিয়েছে, ৩ মে-এর পরও সেরাজ্যে লকডাউন জারি থাকবে। আন্তঃরাজ্য ও আন্তঃজেলায় যান চলাচলে যে নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল তা বহাল থাকবে এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে জরুরী এবং অত্যাবশকীয় পরিষেবায় কেবল ছাড় দেওয়া হবে।
২) মিজোরামের জোরামথঙ্গা, জানিয়েছেন যে, কীভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁরা লকডাউন মেনে চলছেন এবং তিনি জানান যে, এইভাবেই তাঁরা কেন্দ্রের নির্দেশ অনুসরণ করে চলবে।
৩) পুডুচেরির মুখ্যমন্ত্রী ভি ভি নারায়ণসামি ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম (পিপিই) এবং অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন। তিনি কোভিড -১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং লকডাউন উঠলে প'রে শিল্প শুরু করার জন্য আর্থিক সহায়তা এবং অনুদানের কথাও বলেন।
৪) উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিভেন্দ্র সিং রাওয়াত বলেছিলেন যে, যাবতীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ অনুসরণ করেই ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করা উচিত। তিনি আরও বলেন, এবার আস্তে আস্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক পথে ফিরিয়ে আনা উচিত। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।
৫) হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী জয় রাম ঠাকুর বলেছেন যে, তাঁরা এখন অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরু করার মতো অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, লকডাউন নিয়ে সিদ্ধান্ত অন্যান্য রাজ্যের পরামর্শ বিবেচনা করে নেওয়া উচিত। কীভাবে দরিদ্রদের আর্থিক সহায়তার জন্য তাঁর রাজ্য কাজ করে চলেছে, সেকথাও বলেছিলেন তিনি।
৬) ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাটনায়েকের বলেছিলেন যে জাতীয় লকডাউন চালিয়ে যাওয়া উচিত, তবে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিয়াকলাপের অনুমতি দেওয়া উচিত।
৭) গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী প্রধানমন্ত্রী মোদীকে তার রাজ্যের কোভি -১৯ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং বলেন যে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ২২,০০০ এরও বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে এবং গত দশ দিনে আরও ২৮,০০০ পরীক্ষা হয়েছে।
৮) হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টার বলেছেন, কন্টেনমেন্ট জোনগুলি বাদে বাকি অংশগুলিতে তাঁরা ৪ লক্ষেরও বেশি মানুষের সাহায্যে শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।
৭) গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী প্রধানমন্ত্রী মোদীকে তার রাজ্যের কোভি -১৯ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং বলেন যে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ২২,০০০ এরও বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে এবং গত দশ দিনে আরও ২৮,০০০ পরীক্ষা হয়েছে।
৮) হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টার বলেছেন, কন্টেনমেন্ট জোনগুলি বাদে বাকি অংশগুলিতে তাঁরা ৪ লক্ষেরও বেশি মানুষের সাহায্যে শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।





Post a Comment