বিশ্বকে অবাক করে বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম সূর্য তৈরি করল এই দেশ


Odd বাংলা ডেস্ক: পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার জাগাতে সূর্যালোকের গুরুত্ব অপরিসীম। আর এবার সূর্যালোকের রহস্য উন্মোচনের জন্য বিশেষ গবেষণা শুরু করল জার্মানি। আর সেই লক্ষ্যের দিকে এগোতেই বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম সূর্য তৈরি করল জার্মানি। ‘জার্মান এয়ারোস্পেস সেন্টার’-এর বিজ্ঞানীরা কার্যত অসাধ্য সাধন করেছেন। এর জন্য জার্মান বিজ্ঞানীরা একটি বিশেষ সূর্যালোক ডিভাইড তৈরি করেছেন।  

জানা গিয়েছে, এই কৃত্রিম সূর্য নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে ১৪৯টি জেনন ল্যাম্প, যা সিনেমার প্রজেক্টরের মতোই শক্তিশালী৷ বিজ্ঞানীদের মতে, এই সময় এই অঞ্চলের মাটিতে সূর্যের যত পরিমাণ রশ্মি এসে পৌঁছোয়, তার দশ হাজার গুণ রশ্মি পৌঁছে দেবে এই কৃত্রিম সূর্য। যার ফলে প্রায় তিন হাজার ডিগ্রি তাপমাত্রা উৎপন্ন হবে, যা হাইড্রোজেন গ্যাস তৈরিতেও সাহায্য করবে।

জার্মান বিজ্ঞানীদের দাবি, মৌচাকের মতো দেখতে এই সুবিশাল যন্ত্রটি ২০-২০ সেন্টিমিটার জায়গার মধ্যে সৌরশক্তিকে ধারণ করবে৷ যার ফলে ওই স্থানটি সাধারণ সৌর তেজস্ক্রিয়তার ১০ হাজার গুণ বেশি গ্রহণ করবে৷ গবেষকরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন এই কৃত্রিম সূর্যতে প্রকৃত সূর্যালোক ব্যবহার করে হাইড্রোজেন সংশ্লেষ করা যায় কিনা৷  

গবেষকরা আরও বলছেন, এই যন্ত্রটি উচ্চ তাপমাত্রা উৎপাদন করতে সক্ষম, যার ফলে হাইড্রোজেন সংগ্রহ করার নতুন উপায় খুঁজতে সাহায্য করবে৷ জ্বালানির জন্য এই গ্যাস যখন পোড়ানো হবে, তখন এর ফলে কোনও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস নিঃসরণ হবে না৷ গবেষকদের আশা, হাইড্রোজেন এবং কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস মিশিয়ে তাঁরা এমন একটি জ্বালানি উৎপাদন করতে পারবেন, যা বিমান শিল্পে ব্যবহার করা যাবে৷ এর ফলে বিজ্ঞানের জগতে এক নয়া দিগন্ত খুলে দেবে এই কৃত্রিম সূর্য৷
Blogger দ্বারা পরিচালিত.