নেপালে উদ্ধার হল এক বিরল প্রজাতির সোনালী কচ্ছপ, ভগবান বিষ্ণুজ্ঞানে শুরু হল পুজো-অর্চনা


Odd বাংলা ডেস্ক: নেপালে খুঁজে পাওয়া গেল এক বিরল প্রজাতির কচ্ছপ, আর তাঁর মধ্যে দেবত্ব আরোপ করা হয়েছে। তাঁকে দেবতা জ্ঞানে করা হচ্ছে পুজো। কচ্ছপটি সোনালী রঙের হওয়ায় নেপালের মানুষজন মনে করছেন এই কচ্ছপটি দেবতার অংশ। অনেকে দাবি করছেন কচ্ছপটি ভগবান বিষ্ণুর একটি অবতার। 

দ্য ডেইলি মেইলে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, কচ্ছপের সোনালি রঙ ক্রোম্যাটিক লিউসিজম (chromatic leucism)-এর কারণে ঘটে। কালার পিগমেন্টেশন হারিয়ে গিয়ে এমনটা হয়ে থাকে। সাধারণত, লিউসিজম প্রাণীদেহের গায়ের রঙ সাদা, ফ্যাকাশে বা প্যাচযুক্ত ত্বকে পরিণত করে। তবে এই বিশেষ ক্ষেত্রে এটি জ্যানথোফোর্স বাড়ে। এগুলি হলুদ রঙ্গকযুক্ত বেসিক কোষ। এগুলি প্রভাবশালী হয়ে উঠলে ত্বক হলুদ হয়ে যায়। কিন্তু এই বিশেষ ক্ষেত্রে জ্যানথোফোর্স-এর দিকে পরিচালিত করে। এতে কোষে হলুদ রঙ দেখা দেয়। এটি বেশি প্রভাবশালী হয়ে উঠলে ত্বকের রঙ হলুদ হয়ে যায়। 
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সারা বিশ্বে এই নিয়ে পঞ্চমবার এই বিরল প্রজাতির কচ্ছপটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। কচ্ছপটি নেপালের ধনুশা জেলার ধনুশধাম পৌরসভাতে পাওয়া গেছে। সরীসৃপ বিশেষজ্ঞ কামাল দেবকোটা ডেইলি মেইলকে জানিয়েছেন, 'নেপালে কেবলমাত্র সোনালি কোনও প্রাণীই নয়, কচ্ছপের একটি উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্য রয়েছে। বিশ্বাস করা হয় যে, ভগবান বিষ্ণু তাঁর অবতারে মহাবিশ্বকে ধ্বংস থেকে বাঁচাতে একটি কচ্ছপের রূপ নিয়েছিলেন।'

তিনি আরও উল্লেখ করেছিলেন যে, বিষ্ণুর কচ্ছপ অবতার কূর্ম অবতার হিসাবে পরিচিত এবং বিভিন্ন মন্দিরে এই অবতারের পুজো করা হয়। তিনি বলেন, হিন্দু পূরাণ অনুসারে, কচ্ছপের উপরের খোলসটি আকাশকে চিহ্নিত করে এবং নীচের খোলসটি ধরিত্রি বোঝায়।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.