ভরপেট খাবারের থালি, দাম মাত্র ১ টাকা, মহামারিতে অসাধ্য সাধন করেছেন দিল্লির এই রেস্তোরাঁর মালিক
Odd বাংলা ডেস্ক: শিবজ্ঞানে জীবসেবা কাকে বলে তা এই করোনা মহামারির মধ্যে দেখে সারা ভারতবাসী। বিভিন্ন দল, গোষ্ঠী, এনজিও-এর তরফে সকলেই যে যাঁর মতো করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন, আজও করে চলেছেন। তেমনই গরীব মানুষের কাছে ঈশ্বর হয়ে উঠেছেন দিল্লির এই রেস্তোরাঁ, যারা প্রতিদিন মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে খাবার তুলে দিচ্ছেন গরীব মানুষের হাতে।
দিল্লির নানগ্লোইয়ে শিবমন্দিরের কাছে 'শ্যাম রসুই'-এর উদ্যোগে শুরু করা হয়েছে এই বিশেষ আয়োজন। রোজ সকাল ১১টা থেকে শুরু করে দুপুর ২টো পর্যন্ত এই চলে এই কাজ। রেস্তোরাঁর মালিক পারভিন কুমার গোয়েল এই কাজ শুরু করেন ২ মাস আগেই। দিল্লির গরীব, অসহায়, অভুক্ত মানুষের জন্য এই কাদ করে চলছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, সেখানে প্রতিদিন ২০০০ মানুষের খাবার তৈরি করা হয়। প্রায় হাজার খানেক মানুষ তাঁদের কাছে গিয়ে খাবার সংগ্রহ করেন, এবং আশেপাশের বাকি মানুষদের ই-রিক্সার মাধ্যমেই খাবার সরবরাহ করেন তাঁরা।
Delhi: 'Shyam Rasoi', near Shiv Mandir in Nangloi is serving food to people at Re 1.Praveen Goyal, owner says "People donate in kind & help financially. Earlier the cost of food was Rs 10, but we reduced it to Re 1 to attract more people. At least 1,000 ppl eat here each day." pic.twitter.com/QKJ3htAsQN— ANI (@ANI) October 11, 2020
আরও জানা যায় যে, প্রথমে একটি ফ্যাক্টরির ফাঁকা জায়গায় শুরু হয় এই কাজ। এমন অসামান্য কাজের জন্য ফ্যাক্টরির মালিক স্বেচ্ছায় সেই জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন। আর সেখানেই রান্নাবান্না করে মানুষকে খাওয়ানোর কাজ করে চলেছেন পরভিন কুমার।
কী কী খাবার থাকে ১টাকার থালিতে? ভাত, রুটি, ডাল, সোয়াবিনের পোলাও, পনিরের ঝোল, হালুয়া সবকিছুই থাকে এই থালিতে। বর্তমানে 'শ্যাম রসুই'-তে ৬জন কর্মী কাজ করেন। রোজকার খাবার বিক্রির ওপর নির্ভর করেই তাঁদের ৩০০-৪০০ টাকা বেতন দেওয়া হয়। তাঁরা ছাড়াও স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রীরা এসে তাঁদের এই রান্নার কাজে হাত লাগান। রেস্তোরাঁর মালিক পারভিন কুমার আরও বলেন, প্রথমে এই থালির দাম ১০টাকা ধার্য করা হয়েছিল, কিন্তু দেখা যায় যে, বহু মানুষ এই টাকাটাও দিতে সক্ষম ছিলেন না, আর সেই কারণেই সর্বনিম্ন এই ১টাকা দাম ধার্য করা হয়েছে। এভাবেই আজীবন মাথা উঁচু করে থাক ভালবাসা।





Post a Comment