ক্রমেই ঘনাচ্ছে বার্ড ফ্লু-এর আতঙ্ক, সময় থাকতেই একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র


Odd বাংলা ডেস্ক: করোনা অতিমারীর মধ্যেই দেশজুড়ে বার্ড ফ্লু-র হানা যাতে প্রকট না হয়ে উঠতে পারে, সেজন্য আগে থেকেই তৎপর  কেন্দ্র। এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কী কী পদক্ষেপ করা দরকার, তা নিয়ে বৃহস্পতিবার সব রাজ্যকে গাইডলাইন পাঠিয়েছে দিল্লি। তাতে বলা হয়েছে, রাজ্যে কোথা থেকে হাঁস-মুরগি ঢুকছে, তার উপর নজরদারি চালাতে হবে, হাঁস-মুরগির নমুনা নিয়মিত সংগ্রহ করে তা পাঠাতে হবে ভোপালের ল্যাবে। বার্ড ফ্লুয়ের বিরুদ্ধে যে সমস্ত কর্মীরা লড়াই করবেন, তাঁদের চিহ্নিত করে প্রশিক্ষণ শুরু করে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। 

সরকারি সূত্রে খবর, রাজ্যের যে সমস্ত জায়গায় হাঁস-মুরগির চাষ হয়, সেখানে নিয়মিত লোক পাঠিয়ে নজরদারির কথা বলা হয়েছে দিল্লির পাঠানো নির্দেশিকায়। এ জন্য রাজ্য প্রাণী দপ্তরের সঙ্গে প্রতিটি মহকুমা-ব্লকের অফিসারদের ভালো ভাবে সমন্বয় রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, কোথাও কোনও রিপোর্ট এলে তা যেন প্রাণিসম্পদ দপ্তর সরাসরি মুখ্যসচিবকে পাঠায়। মুখ্যসচিবকে সেই রিপোর্ট দ্রুত দিল্লিতে পাঠাতে হবে। হাঁস-মুরগি পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত গাড়ি এবং কর্মীদের জন্য পিপিই প্রস্তুত রাখার কথাও বলা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

এদিন কেন্দ্রের নির্দেশিকা এলেও, রাজ্য ভেটেরিনারি কাউন্সিলের তরফে নির্দেশিকা সমস্ত জেলার আধিকারিকদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে কয়েক দিন আগেই। প্রাণীসম্পদ দফতরও জেলায় জেলায় সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রের নির্দেশিকা প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানিয়েছেন, 'রাজ্যে এখনও বার্ড ফ্লু-র কোনও খবর নেই। তবে আগাম সমস্ত ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মুরগির খামারগুলিতে নজর রাখতে বলা হয়েছে।'

বিশেষজ্ঞদের কথায় এইসময় ডিম ভালো করে সেদ্ধ করে খেতে হবে, হাল্কা সেদ্ধ বা অর্ধেক সেদ্ধ মাংস খাওয়া যাবে না, কোথাও কোনওরকমের মরা পাখি দেখলে প্রশাসনকে অবশ্যই জানাতে হবে, ডিমের পোচ এখন না-খাওয়াই উচিত, পাশাপাশি এই সময়টা পশুপাখির গায়ে হাত না-দেওয়াই এখন শ্রেয়।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.