পুরুষ না নারী ? কে পরকীয়ায় বেশি আগ্রহী ?
Odd বাংলা ডেস্ক: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা কি সুখী ? আমারা কি আমাদের কাজ নিয়ে, জীবন যাপন নিয়ে সন্তুষ্ট ? অনেকেই আছেন যারা নিজেদেরকে নিয়ে সুখী, আবার অনেকে আছেন যারা সবসময় হতাশায় ভোগেন। অনেকেই আছেন যারা বিবাহিত জীবনেও খুশি নন, আবার অনেকেরই বিবাহিত জীবনে সাংসারিক অশান্তি লেগেই থাকে। সবসময় মনোমালিন্য লেগে থাকে, আর তার থেকেই নানারকম অপরাধমূলক কাজে লিপ্ত হয়।
বধূ নির্যাতনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। আর এখন এক নবতম সংজোজন পরকীয়া। ছেলে মেয়ে উভয়ই পরকীয়ায় মেতে উঠছে। পরকীয়া হল কোনো বিবাহিত ব্যাক্তি নারী বা পুরুষের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে আসক্ত হয়ে পরা, সেটা মানসিক ভাবে হোক বা শারীরিক ভাবে।
পরকীয়াকে বিবাহ বহির্ভূত প্রেম বলা যেতে পারে, কারন প্রেম একটি সম্পর্ক নতুন সুচনা করে। তবে অনেকেই এই পরকীয়াকে সামাজিক অবক্ষয়ের কারন বলে মানছেন। আবার অনেকের মতে পরকীয়া কোনো দোষের না। অনেকের মতে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক আহত হলে পরকীয়ার জন্ম হয়।
অনেকে সময় স্বামী তার স্ত্রীয়ের খেয়াল রাখে না, সময় দেয় না, ঘুরতে নিয়ে যায় না বা অনেক সময় তার চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হয়ে থাকে, সেই কারনে মহিলারা অন্য পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে ছেলেরাও সুযোগ নেয়।
আবার অনেক সময় একঘেয়েমি বৈবাহিক জীবন থেকে বেরোতে মহিলারা অন্য পুরুষদের সাথে চ্যাট করা শুরু করেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ছেলেরাও একই ভাবে পরকীয়ায় জড়িয়ে যায়। কর্মস্থলে সুন্দরী মেয়ের প্রেমে পরে যায়।
এবার প্রশ্ন হল পরকীয়ায় বেশি লিপ্ত কে হয় ? নারী না পুরুষ। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে প্রতি ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন তাদের স্বামীর সাথে প্রতারনা করেছে। অবহেলার কারনেই হোক বা একঘেয়েমিতা কাটানোর জন্য পরকীয়ায় জরিয়ে পড়েছেন।
হাজার হাজার দম্পতির উপর পরীক্ষা করে দেখা গেছে বিবাহিত জীবনে সুখী না হওয়ার কারনে অন্য পুরুষের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়েছেন নারীরা। অনেক সময় মহিলারা বিবাহিত জীবনে মানসিক দিক দিয়ে সুখী হন না, সেই কারনে এমন একজনকে তারা খোজেন যে তাদের মানসিক ভাবে সমর্থন করবে।
আবার অনেক সময় শারীরিক চাহিদা প্রাধান্য পায়। বেশিরভাগ মহিলারা বিবাহিত জীবনের সুপ্ত বাসনা গুলোকে চরিতার্থ করার জন্য অন্যের আশ্রয়ে যান। যেখানে নিজের মনোভাবকে বেশি গুরত্ব দিতে পারেন।





Post a Comment