দেশে এই প্রথমবার হতে চলেছে গরু বিষয়ক সরকারি পরীক্ষা!
কেন্দ্রীয় মৎস্যচাষ, পশুপালন এবং দুগ্ধ উৎপাদন মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থা হিসেবে কাজ করে কামধেনু আয়োগ। তাদের আয়োজিত পরীক্ষার, পোশাকি নাম, ‘কামধেনু গো বিজ্ঞান প্রচার-প্রসার পরীক্ষা’। লক্ষ্য হল, জাতীয় গো-কল্যাণ কর্মসূচিকে শক্তিশালী করা।
আয়োজক সংস্থার তরফে ওই ‘মাল্টিপল চয়েস’ জাতীয় পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি পাঠ্যসূচিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘১৯৮৪ সালে ভোপালে গ্যাস দুর্ঘটনায় ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। কিন্তু যাঁদের মাটির ঘরের দেওয়ালে গোবর লেপা ছিল, তাঁদের কোনও ক্ষতি হয়নি’।
২০০৮ সালে মধ্যপ্রদেশের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান, গ্যাস দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ৩,৭৮৭ বলে জানিয়েছিলেন। আর গোবরের ‘রক্ষাকবচের’ কথা সরকারি স্তরে বা গ্যাস-দুর্গত পরিবারগুলির তরফে গত সাড়ে তিন দশকে শোনা যায়নি।
গো-হত্যার সঙ্গে ভূমিকম্পের সম্পর্ক নিয়েও অভিনব ‘বৈজ্ঞানীক তত্ত্ব’ হাজির করেছে কামধেনু আয়োগ। সেখানে জুড়ে দেওয়া হয়েছে কিংবদন্তী বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের নামও। তাদের ব্যাখ্যা, কোনও এক জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে গবাদি পশু জবাই করা হলে তাদের মরণ-আর্তনাদের ‘প্রভাব’ পড়ে ভূস্তরের উপর। ‘আইনস্টাইনিয়ান পেন ওয়েভ’-এর দীর্ঘস্থায়ী ফল হিসেবেই ভূমিকম্প হয় বলে জানানো হয়েছে পাঠ্যসূচিতে।





Post a Comment