করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শিশুদের ব্যপকভাবে ক্ষতি করছে, কী কী লক্ষণ দেখা দিচ্ছে ছোটদের

Odd বাংলা ডেস্ক: সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। যার ফলে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। করোনার প্রথম ঢেউ শিশুদের জন্য ততটাও বিপজ্জনক না হলেও,এই দ্বিতীয় ঢেউ কিন্তু শিশুদের জন্য বেশ বিপজ্জনক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, করোনার দ্বিতীয় ওয়েভে গতবারের তুলনায় এবারে শিশুরা অনেক বেশি মাত্রায় সংক্রমিত হচ্ছে৷ এটি কেবলমাত্র ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে তুলছে না, পাশাপাশি এটি রিসেপ্টরস-এর সঙ্গে মিলে শরীরে আরও দ্রুত ছড়াচ্ছে। তাই পরিস্থিতি আগের চেয়ে আরও বেশি ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এটি বাচ্চাদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ২-১৬ বছর বয়সের শিশুরা বেশি সংক্রামিত হচ্ছে। জার্নাল অফ ট্রপিকাল পেডিয়াট্রিক্স-র রিপোর্ট অনুসারে, ৩ জনের মধ্যে ১টি বাচ্চার মধ্যে এর লক্ষণ ও এর প্রকোপ অধিক হচ্ছে।

কেন বাড়ছে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ? গত বছরের তুলনায় এবছর শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ অধিক হওয়ার পিছনে অনেক কারণ আছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ হল প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা। স্কুল খোলার ফলে শিশুরা বেশি সংক্রামিত হচ্ছে। করোনার দ্বিতীয় ভেরিয়েন্ট অনেক বেশি বিপজ্জনক, এটি শিশুদেপ দ্রুত সংক্রামিত করছে এবং শিশুদের এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়নি যার কারণে সংক্রমণের ঘটনা দ্রুত বাড়ছে।

হাভার্ড হেলথ রিপোর্ট অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সময় অনেক শিশুর কোনও লক্ষণই প্রকাশ পায় না এবং অনেকের মধ্যে আবার কিছু লক্ষণ দেখা যায়, যেমন - কাশি, হালকা জ্বর, সর্দি, ক্লান্তি, ইত্যাদি। তবে সম্ভাব্যভাবে মাল্টি সিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিনড্রোম (MIS-C) শিশুদের মধ্যে দেখা দিতে পারে, যা হার্ট এবং শরীরের অন্যান্য অংশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। জেনে নিনMIS-C এর লক্ষণগুলি -

দীর্ঘদিন ধরে জ্বর, ব়্যাশ, চোখ লাল, পেট ব্যথা, গলায় ব্যথা, ঠোঁট লাল হওয়া ও ঠোঁট ফাটা, জিভ অতিরিক্ত লাল হওয়া, বমি বা ডায়রিয়া, হাত-পা ফোলা, বিরক্তি এবং ক্লান্তি শরীর ও জয়েন্টে ব্যথা।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.