এটি অল্প পরিমাণে খেলেও থাকছে দ্রুত মৃত্যুর সম্ভাবনা…

Odd বাংলা ডেস্ক: জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে – তিন বিধাতা নিয়ে। যখন কপালে আছে তখনই হবে, এগুলি কেউ আটকাতে পারবে না। মৃত্যুকে আমরা সবাই ভয় পাই, আমরা সবাই বাচতে চাই। কেউ মরার কথা ভাবে না, অথচ আমরা বেশ কিছু খাবার খাই যা আমাদের মৃত্যুর সম্ভবনা বাড়িয়ে দেয়। অপুষ্টিকর খাওয়া দাওয়া আমাদের জীবনকে অসহনীয় করে তোলে।

অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস আমাদের দ্রুত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। রোজকার জীবনে আমরা এমন সব খাবার খাচ্ছি যা আমাদের মারনব্যাধি সৃষ্টি করছে। যা থেকে মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা অজ্ঞতার কারনে এসব খাবার হজম করেই যাচ্ছি।

১) যেমন ধরা যাক আলু, রোজকার খাদ্যতালিকায় আলু নেই এরকম সংখ্যা বোধহয় নেই। কিন্তু গবেষণা বলছে সবুজ আলু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। এতে সোলানাইন নামক একটা বিষাক্ত পদার্থ থাকে যা রান্না ও পোড়ানোর পরও যায় না। তাই এই আলু ব্যবহার না করাই ভালো।

২) টমেটো শীতকালীন সবজি ও পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার। তবে টমেটোর পাতা ও কান্ডে গ্লাইকো-অ্যাক্লালয়েড থাকে, যা হজম সমস্যার সৃষ্টি করে। ৩) শিমের বিচি অনেকেরই পছন্দের তালিকায় থাকে, কিন্তু শিমের বিচিতে ফাইটোহিমাটোগ্লুটানিন নামক বিষ থাকে, যা আপনাকে মারাত্নক অসুস্থ করে দিতে পারে। এমন কি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

৪) কামরাঙা মুখে ব্রন হওয়া আটকায়, কিন্তু ডাইরিয়া হলে কামরাঙা খেতে নিষেধ করা হয়। কামরাঙা একটি অক্সালেট সমৃদ্ধ ভিটামিন C জাতীয় ফল। যেই কারনে কিডনির সমস্যা থাকলে খেতে না করা হয়। ৫) অনেকে মাশরুম খেয়ে থাকেন, কিন্তু ওয়াইল্ড মাশরুম না খাওয়াই ভালো। এই মাশরুম খেলে হার্ট, লিভার, কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে।

৬) চিনাবাদাম ও কিছু মাছ আছে যেগুলোকে সঠিক ভাবে রান্না না করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। কাঠবাদাম খাওয়ার সময় সায়ানাইড বের না করে খেলে বিটার আমন্ড খেয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। অনেকেরই ফুড এলার্জি থাকে, সেক্ষেত্রে চিনাবাদাম না খাওয়াই ভালো। চিনাবাদাম খেয়ে ফুড এলার্জি হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

৭) অনেকেরই মিষ্টি, শরবত, পানের অভ্যেস রয়েছে। এমনই একটি ঘাতক পানীয় হল চিনিগোলা শরবত। গবেষণা বলছে মিষ্টি চিনিগোলা শরবত দ্রুত মৃত্যুর কারন হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে মাসে ১ থেকে ৪ গ্লাস শরবত ১ শতাংশ, আর ২ থেকে ৬ গ্লাস শরবত ৬ শতাংশ মৃত্যুর সম্ভবনা বাড়িয়ে দেয়।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.